গোপালগঞ্জে হামলা ও সংঘর্ষে নিহত ৪

প্রকাশিত: ৯:৫৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৬, ২০২৫

গোপালগঞ্জে হামলা ও সংঘর্ষে নিহত ৪

Manual7 Ad Code

সুরমামেইল ডেস্ক :
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ঘিরে ব্যাপক সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় চারজন নিহতের হয়েছেন।

 

গোপালগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. জীবিতেশ বিশ্বাস সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে গণমাধ্যমকে জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় তখন পর্যন্ত চারজনের মরদেহ সদর হাসপাতালে এসেছে।

 

এরআগে বিকালে ডা. জীবিতেশ দুজনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছিলেন। তারা হলেন- গোপালগঞ্জ শহরের উদয়ন রোডের বাসিন্দা সন্তোষ সাহার ছেলে দীপ্ত সাহা (২৫) ও কোটালীপাড়ার রমজান কাজী (১৮)। আরও ৯ জনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয় হয় বলে জানান তিনি।

 

গোপালগঞ্জের সংঘর্ষের ঘটনায় আহত একজনকে সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়। সুমন বিশ্বাস (২০) নামের এই যুবক সদর উপজেলার মোহাম্মদপাড়া এলাকায় সংঘর্ষ চলাকালে গুলিবিদ্ধ হন।



এদিকে ব্যাপক সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গোপালগঞ্জে কারফিউ জারি করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। বুধবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যায় প্রেস উইংয়ের পাঠানো বার্তায় এ কথা জানানো হয়। বার্তায় বলা হয়, বুধবার রাত ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি চলবে।

 

Manual3 Ad Code

এর আগে বিকালে জেলা প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শহরে ১৪৪ ধারা জারি করেছিল।

 

বুধবার দুপুরের পর গোপালগঞ্জে সভা শেষে ফেরার পথে শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের সামনে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা চালায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা। এ সময় গোপালগঞ্জ রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর গাড়িতেও হামলার ঘটনা ঘটে।

Manual1 Ad Code

 

এর আগে দুপুর ২টার পর পৌর পার্কের উন্মুক্ত মঞ্চে এনসিপির সভা শুরুর আগে বেলা দেড়টার দিকে গোপালগঞ্জ শহরের পৌরপার্ক এলাকায় আয়োজিত সমাবেশের মঞ্চে এক দফা হামলার ঘটনা ঘটে।

 

Manual3 Ad Code

হামলার শিকার এনসিপির শীর্ষ নেতারা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে গিয়ে অবস্থান নেন। পরে সেনাবাহিনী নিরাপদে তাদের সেখান থেকে সরিয়ে নেয়।

 

এদিকে ভয়াবহ এই হামলার ঘটনায় সারাদেশে ব্লকেড কর্মসূচি পালন করছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক-মহাসড়ক অবরোধ করে তারা।

 

হামলায় উদ্বেগ জানিয়ে জড়িতদের শাস্তি দাবি করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি এই হামলাকে ন্যক্কারজনক বলে অভিহিত করেন।

Manual4 Ad Code

 

জামায়াতে ইসলামী আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ কর্মসূচি দিয়েছে।

 

(সুরমামেইল/এমকে)


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code