পাঁচটি পদে শেফুর ক্যারিশিমা, ভরাডুবিতে হতবাক শেখ সুজাত!

প্রকাশিত: ৮:৫৩ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৩, ২০২৫

পাঁচটি পদে শেফুর ক্যারিশিমা, ভরাডুবিতে হতবাক শেখ সুজাত!

Manual3 Ad Code

শেখ সুজাত মিয়া ও মুজিবুর রহমান চৌধুরী শেফু।


নবীগঞ্জ প্রতিনিধি :
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ বিএনপির রাজনীতিতে চমক দেখালেন বিএনপি থেকে বহিস্কৃত নেতা সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান চৌধুরী শেফু। একাই ক্যারিশিমা দেখিয়ে পাঁচটি পদে নিজের বলয়ের প্রার্থী বিজয়ী করলেন।

 

তিনি রোববার (৩ জুলাই) নবীগঞ্জ উপজেলা কাউন্সিলে পীরের ভুমিকায় ছিলেন। তিনি নেপথ্যে থেকে পুরো প্যানেলকে বিজয়ী করে চমক দেখিয়ে হতবাক করলেন সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সুজাত মিয়াকে। বিএনপি রাজনীতিতে শেখ সুজাত গ্রুপের এই ভরাডুবি নিয়ে নবীগঞ্জের রাজনীতি তোলপাড় হচ্ছে।

Manual7 Ad Code

 

Manual1 Ad Code

রোববার নবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। নবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সম্মেলন ও কাউন্সিলকে সামনে রেখে বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসবের আমেজ ও সাজ সাজ রব ছিল দিনব্যাপী।

 

উভয় গ্রুপের মধ্যে পাল্টাপাল্টি মিটিং ও লবিং গ্রুপিং চলে আসছিল দীর্ঘদিন ধরে। পাঁচটি পদে নির্বাচনে কে হবে বিজয়ী এই আলোচনা ছিল তুঙ্গে। সকালে সম্মেলন ও কাউন্সিল উদ্বোধনী আলোচনা সভায় সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সুজাত মিয়া বক্তব্যে বহিস্কার নেতার কথায় বৈাট দিবেন না। এদেরকে আর দলে নেয়া হবে না। এর পর এই বক্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

 

যে ৫টি পদে নির্বাচন হয়, সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, যুন্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক। ঐ সব কয়টি পদে শেখ সুজাত গ্রুপের ভরাডুবি হয়।

 

দলীয় সুত্রে জানা যায়, নবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে দু’ভাগে বিভক্ত। এক গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সাবেক এমপি ও কেন্দ্রীয় নেতা শেখ সুজাত মিয়া ও নবীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র ছাবির আহমদ চৌধুরী। অপর গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বর্তমান আহবায়ক সরফরাজ চৌধুরী ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বিএনপির বহিস্কৃতনেতা মুজিবুর রহমান চৌধুরী শেফু। ইতিপূর্বে আহ্বায়ক কমিটি উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন কমিটি গঠন করেন। প্রতিটি ইউনিয়ন কমিটির সব সদস্য কাউন্সিলার হিসাবে রোববার গোপন কক্ষে ভোট প্রদান করেন। সাথে সংযুক্ত হন নবীগঞ্জ উপজেলা আহবায়ক কমিটির সদস্যরা। বৈরি আবহাওয়ার মধ্যে ৯২৩ ভোটের মধ্যে ৮০৩ কাস্ট হয়।

 

ভোটে বড় অংকের ব্যবধানে শেখ সুজাত গ্রুপের ভরাডুবি হয়। এব্যাপারে সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সুজাত মিয়ার প্রতিক্রিয়া জানতে তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মোবাইল ফোন কল রিসিভ করেননি ও ক্ষুদে বার্তার উত্তর দেননি। সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বিএনপির বহিস্কৃতনেতা মুজিবুর রহমান চৌধুরী শেফু বলেন, আমাকের দলের নেতাকর্মীর মনে প্রানে ভালবাসে সেই প্রমান দিয়েছেন। আমার বলয়ে বলতে কোন বলয় নেই সবাই দলের পরীক্ষিত নেতারা পাশ করেছেন, তারা তাদের কাজের মুল্যায়ন পেয়েছেন। আমি দলের একজন সাধারণ কর্মী হিসাবে কাজ করছি।

 

Manual4 Ad Code

(সুরমামেইল/এমএএ)

Manual3 Ad Code


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code