সাংবাদিক আনিস আলমগীর পাঁচ দিনের রিমান্ডে

প্রকাশিত: ৮:৪৮ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫

সাংবাদিক আনিস আলমগীর পাঁচ দিনের রিমান্ডে

Manual2 Ad Code

মেইল ডেস্ক:
রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

 

সোমবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম তাঁকে রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দেন।

 

সন্ধ্যার আগে আনিস আলমগীরকে আদালতে হাজির করে উত্তরা থানা-পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার পুলিশ পরিদর্শক মনিরুজ্জামান তাঁকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন।

Manual5 Ad Code

 

সন্ধ্যার পর আনিস আলমগীরকে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে আদালতের এজলাসে হাজির করা হয়। আনিস আলমগীরের পক্ষে রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন তাঁর আইনজীবীরা। আনিস আলমগীরের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট নাজনীন নাহার, মোরশেদ শাহীনসহ কয়েকজন আইনজীবী। অন্য দিকে রাষ্ট্রপক্ষে রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন ঢাকা মহানগর দায়রা আদালতের পিপি ওমর ফারুকী। শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

 

Manual5 Ad Code

এরআগে, গতকাল রোববার রাত ৮টার দিকে ধানমন্ডির একটি জিম থেকে আনিস আলমগীরকে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) একটি দল তুলে নিয়ে যায়। পরে তাঁকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

 

Manual5 Ad Code

আটকের পর গতকাল রাতে আনিস আলমগীর, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনসহ চারজনের বিরুদ্ধে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা নষ্টের ষড়যন্ত্র ও নিষিদ্ধ সংগঠনকে উসকে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে।

 

‘জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্স’ নামের একটি সংগঠনের কেন্দ্রীয় সংগঠক আরিয়ান আহমেদ এই অভিযোগ করেন। অভিযুক্ত অপর দুজন হলেন মারিয়া কিসপট্টা ও ইমতু রাতিশ ইমতিয়াজ।

 

ওই অভিযোগে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা হয়। এজাহারে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই মাসের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মধ্যেও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুসারীরা বিভিন্ন কৌশলে দেশে অবস্থান করে রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা বিনষ্টের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা এসব কর্মকাণ্ডে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত।

 

মামলায় আরও বলা হয়, গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন টেলিভিশন টক শোতে অংশ নিয়ে নিষিদ্ধ সংগঠনকে পুনরুজ্জীবিত করার প্রচারণা চালাচ্ছেন। এর মাধ্যমে তাঁরা আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের অপচেষ্টা করছেন।

 

এতে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের এসব বক্তব্য ও অনলাইন কার্যক্রমের কারণে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা উসকানি পাচ্ছেন। ফলে তাঁরা রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র, সহিংসতা ও অবকাঠামো ধ্বংসের মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত হচ্ছেন।

Manual7 Ad Code

 

(সুরমামেইল/এফএ)


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code