জাপানের আদলে কোরিয়া ও ইইউ’র সাথে বাণিজ্য চুক্তির প্রস্তাব বাংলাদেশের

প্রকাশিত: ৮:১২ অপরাহ্ণ, মার্চ ৩০, ২০২৬

জাপানের আদলে কোরিয়া ও ইইউ’র সাথে বাণিজ্য চুক্তির প্রস্তাব বাংলাদেশের

Manual8 Ad Code

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ১৪তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বক্তব্য রাখছেন বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।


মেইল ডেস্ক:
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ১৪তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনের সাইডলাইনে দক্ষিণ কোরিয়া এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে পৃথক দুটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছে বাংলাদেশ। বৈঠকে বাংলাদেশের নতুন সরকারের বাণিজ্যনীতি, বাজার বহুমুখীকরণ এবং স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এফটিএ ও ইপিএ সইয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

Manual7 Ad Code

 

Manual1 Ad Code

রোববার (৯ মার্চ) ক্যামেরুনের ইয়াউন্দেতে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

 

দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়ো হান কু-র সাথে বৈঠকে বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত নতুন সরকার দূরদর্শী বাণিজ্যনীতি গ্রহণ করেছে।

Manual4 Ad Code

 

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি সম্পন্ন করেছে। এখন কোরিয়ার সাথেও অনুরূপ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নিতে আমরা আগ্রহী।

 

কোরীয় বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, জাপানের সাথে বাংলাদেশের সম্পাদিত চুক্তিটি দ্বিপাক্ষিক আলোচনার ক্ষেত্রে একটি কার্যকর মডেল হতে পারে। তিনি জাহাজ নির্মাণ, ইস্পাত ও উৎপাদন খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং শীঘ্রই বাংলাদেশ সফরের ইচ্ছা ব্যক্ত করেন।

Manual2 Ad Code

 

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কমিশনার মারোস সেফকোভিচের সাথে বৈঠকে এলডিসি থেকে উত্তরণ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ বিশেষ অনুরোধ জানায়। বাণিজ্যমন্ত্রী উত্তরণকালীন প্রস্তুতিমূলক সময়সীমা আরও ৩ বছর বাড়ানোর জন্য ইইউ-র সহযোগিতা কামনা করেন। এছাড়া শ্রম খাতের সংস্কারে বাংলাদেশের অগ্রগতি তুলে ধরে দ্রুত একটি এফটিএ আলোচনার উদ্যোগ নিতে আহ্বান জানান।

 

ইইউ প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ সংক্রান্ত সময় বৃদ্ধির অনুরোধকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেয় এবং শ্রম খাতের সংস্কারের প্রশংসা করে। প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন শেষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানায় ইইউ।

 

জাপানের সাথে সম্পাদিত ইপিএ-কে ভিত্তি করে অন্যান্য দেশের সাথে চুক্তি এগিয়ে নেওয়া। আরসিইপি-এ যোগদানের বিষয়ে বাংলাদেশের প্রবল আগ্রহ প্রকাশ। তৈরি পোশাক ও রপ্তানিমুখী শিল্পে কোরিয়া ও ইইউ-র বিনিয়োগ বৃদ্ধি। আইএলও-র নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত নতুন শ্রম আইন প্রণয়নের নিশ্চয়তা।

 

উভয় বৈঠকে বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে দেশগুলো পারস্পরিক লাভজনক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

 

(সুরমামেইল/এনআই)


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code