দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এলো মার্চে

প্রকাশিত: ৯:২৯ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১, ২০২৬

দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এলো মার্চে

Manual5 Ad Code

মেইল ডেস্ক:
চলতি বছরের মার্চ মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন (৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ) মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রবাসী আয়ে (রেমিট্যান্স) সব রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

 

স্বাধীনতার পর থেকে একক কোনো মাসে এটিই এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ।

 

বুধবার (১ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে।

 

এর আগে একক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসার রেকর্ডটি ছিল গত বছরের। ২০২৫ সালের মার্চ মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ৩ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলার। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করল বাংলাদেশ। এ ছাড়া গত বছরের ডিসেম্বর মাসে প্রবাসীরা ৩ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছিলেন, যা বর্তমানে তৃতীয় সর্বোচ্চ অবস্থান।

 

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, মার্চের শুরু থেকেই রেমিট্যান্স আসার গতি ছিল ঊর্ধ্বমুখী। এরমধ্যে রমজান ও ঈদুল ফিতরের কারণে পুরো মাসে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা পৌনে ৪ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

Manual7 Ad Code

 

Manual5 Ad Code

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মার্চে ঈদ ঘিরে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে, এটি স্বাভাবিক একটি প্রবণতা। মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলোতে এখনও কাজের সুযোগ বজায় আছে এবং বেকারত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়েনি। পাশাপাশি জীবনযাত্রার ব্যয়ও খুব বেশি না বাড়ায় প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর সক্ষমতা মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে। তবে সামনের মাসগুলোতে এই প্রবাহ কিছুটা কমতে পারে।

 

অন্যদিকে, হুন্ডি কমে আসায় বৈধপথে রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে সাহায্য করেছে। মাসে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এখন স্বাভাবিক পর্যায় মনে হলেও এই ধারা দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। বিশেষত, নতুন কর্মী বিদেশে যাওয়ার পথ এখনও সীমিত থাকায় ভবিষ্যতে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধির ওপর চাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

তথ্য বলছে, সদ্যবিদায়ী মার্চে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকের মাধ্যমে ৬৪ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। বিশষায়িত দুই ব্যাংকের মধ্যে একটির (কৃষি ব্যাংক) মাধ্যমে এসেছে ৪৬ কোটি ৪৭ লাখ ডলার। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ২৬৪ কোটি ডলার। আর বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে এক কোটি ২০ হাজার ডলারের রেমিট্যান্স।

 

তবে এ সময়ে ৭টি ব্যাংকের মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। এসব ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে বিশেষায়িত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক বা রাকাব, বেসরকারি খাতের আইসিবি ইসলামি ব্যাংক ও পদ্মা ব্যাংক, বিদেশি খাতের ব্যাংক আলফালাহ, হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান ও স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া।

 

Manual5 Ad Code

(সুরমামেইল/এমকে)

Manual4 Ad Code


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code