হবিগঞ্জে সংঘর্ষে নিহত ২: গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য গ্রাম, থমথমে পরিস্থিতি

প্রকাশিত: ১০:০৫ অপরাহ্ণ, জুন ১৬, ২০২৬

হবিগঞ্জে সংঘর্ষে নিহত ২: গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য গ্রাম, থমথমে পরিস্থিতি

Manual4 Ad Code

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:
জেলার বাহুবল উপজেলার আদিত্যপুর ও আরিছপুর (আব্দাফৌজদা) গ্রামের দুপক্ষের মধ্যে চলাচলের রাস্তা নিয়ে সংঘর্ষে দুজন নিহত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

Manual7 Ad Code

 

ঘটনার পর থেকে দুই গ্রামেই পুরুষশূন্য অবস্থা দেখা দিয়েছে। গ্রেপ্তার এড়াতে অনেকেই বাড়িঘর ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন।



সোমবার (১৫ জুন) দুপুর ও সন্ধ্যায় দুই দফায় সংঘর্ষে আদিত্যপুর গ্রামের সেলু মিয়া (৫৩) ও হেলাল মিয়া (৩৭) নিহত হন। এ ঘটনায় অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

Manual2 Ad Code

 

Manual1 Ad Code

ঘটনার পর রাতে বাহুবল মডেল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে আব্দাফৌজা গ্রামের মৃত আব্দুল বশিরের ছেলে আব্দুল মজিদকে (৩৫) আটক করে। পুলিশ জানিয়েছে, সংঘর্ষ ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

 

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল থেকে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। বর্তমানে কোনো ধরনের লুটপাট বা নতুন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

 

স্থানীয়রা জানান, আদিত্যপুর গ্রামের মোসাহিদ মেম্বার ও আরিছপুর গ্রামের নাসির, আক্তারের মধ্যে দুই গ্রামের মধ্যবর্তী একটি কথিত কবরস্থানের পাশের চলাচলের রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। সেই বিরোধের জের ধরেই সোমবার দুপুরে আদিত্যপুর ও আরিছপুরের মাঝে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে সন্ধ্যায় স্থানীয় ডুবাঐ বাজারে আবারো ভায়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে দুজন নিহত হন। নিহতদের পরিবারে শোকের মাতম চলছে।

 

বাহুবল মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো. ইকতার মিয়া বলেন, নিহত সেলু মিয়ার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মঙ্গলবার বাদ মাগরিব আদিত্যপুর গ্রামে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। অপরদিকে নিহত হেলাল মিয়ার মরদেহ সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

Manual7 Ad Code

 

বাহুবল মডেল থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার আতঙ্কে দুই গ্রামে পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো অভিযোগ বা মামলা দায়ের করা হয়নি। তবে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ মাঠে কাজ করছে।

 

(সুরমামেইল/এমএকে)


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code