হবিগঞ্জ কারাগারে আসামির মৃত্যু: কর্তৃপক্ষের দাবি হৃদরোগে, পরিবার বলছে হত্যা

প্রকাশিত: ৯:০৭ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৫, ২০২৬

হবিগঞ্জ কারাগারে আসামির মৃত্যু: কর্তৃপক্ষের দাবি হৃদরোগে, পরিবার বলছে হত্যা

Manual5 Ad Code

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:
জেলা কারাগারে এনামুল হক (৩২) নামের মাদক মামলার আসামি এক হাজতি মারা গেছেন। কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান। তবে পরিবারের দাবি, নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ভোরে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।

 

তবে পরিবারের দাবি, কারাগারে মারধর করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের সামনে পুলিশের সঙ্গে নিহত এনামুলের স্বজনদের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়।

Manual4 Ad Code

 

এদিকে, হাসপাতালে নিহত এনামুলের লাশের ছবি তুলতে সাংবাদিকদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে ঘটনাটি ঘিরে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

 

Manual2 Ad Code

কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, নিহত এনামুল হক চুনারুঘাট উপজেলার দেওরগাছ ইউনিয়নের রহমতাবাদ গ্রামের আব্দুর রফিকের ছেলে। গত ১৫ জুলাই একটি মাদক মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার ভোরে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে কারা হাসপাতালে তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

 

এদিকে, মৃত্যুর খবর পেয়ে এনামুলের মা, ভাইসহ পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে ছুটে আসেন। এ সময় তারা অভিযোগ করেন, কারাগারে মারধর করে এনামুলকে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলেও দাবি করেন তাঁরা।

 

নিহত এনামুলের বড় ভাই কামরুল হাসান বলেন, আমার ছোট ভাই ভোর ৫টার দিকে মারা গেছে, অথচ আমাদের খবর দেওয়া হয়েছে সকাল ৭টায়। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আমরা মনে করি, তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন করতে হবে।

 

নিহত এনামুলের মা রেহানা খাতুন জানান, বৃহস্পতিবার আদালতে তাঁর ছেলেকে হাজির করার কথা ছিল এবং তার জামিন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ছেলেকে আদালতে হাজির না করে তাঁর মৃত্যুর খবর দেওয়া হয়েছে। তাঁর ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে।

 

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার বিলাল আহমেদ বলেন, এনামুল মাদকাসক্ত ছিলেন। বৃহস্পতিবার ভোরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়। তাকে মারধর করার অভিযোগ ভিত্তিহীন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

 

Manual1 Ad Code

(সুরমামেইল/এমএকে)


 

Manual1 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code