চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও হত্যাকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ: বিরোধীদলীয় নেতা

প্রকাশিত: ১:৫৯ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬

চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও হত্যাকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ: বিরোধীদলীয় নেতা

Manual1 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক:
দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও হত্যাকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।

 

Manual1 Ad Code

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেট সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

 

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে চীন, ভারতসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন বলেও মনে করেন শফিকুর রহমান।

 

তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের সম্মান ও নিরাপত্তার সঙ্গে নিজ দেশে ফিরিয়ে দেওয়াই এ সংকটের চূড়ান্ত সমাধান। একা বাংলাদেশের পক্ষে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। এ রোহিঙ্গা সংকট শুধু বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের দ্বিপক্ষীয় বিষয় নয়, এটি একটি আন্তর্জাতিক সমস্যা। এ জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে।

Manual1 Ad Code

 

Manual1 Ad Code

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সমালোচনা করে শফিকুর রহমান বলেন, এর প্রভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে এবং মানুষের জীবনযাত্রা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। জ্বালানি নিয়ে জামায়াতের বিশেষজ্ঞ দলের পরামর্শ নিতে রাজি হয়নি সরকার। বিদ্যুৎ নিয়ে তাদের দেওয়া পরিকল্পনাও সরকার নেয়নি।

 

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আমাদের দাবি কী ছিল? যে যে কারণে স্বৈরশাসন কায়েম হয়েছিল, আমরা সেই কারণগুলো বদলাতে বলেছিলাম। বলেছিলাম একটা পরিবর্তন, একটা রূপান্তর আনতে হবে। বিচার বিভাগকে স্বাধীন করা লাগবে। স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন করা লাগবে। স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার কমিশন করা লাগবে।

 

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন তো আমরা জাতীয় নির্বাচনের আগেই চেয়েছিলাম। এখন তো দুই বছরের অধিক সময় চলে গেল। অনেক জায়গাতেই তো নির্বাচিত প্রতিনিধি নাই, পালিয়ে গেছে। মানুষের দুর্ভোগ হচ্ছে। কিন্তু এখনো গড়িমসি করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, নির্বাচন কমিশন শক্তিশালী ও স্বাধীন। তো স্বাধীন নির্বাচন কমিশন একটা তফসিল ঘোষণা করল, এটা বন্ধ করা হলো কেন? এটা কি প্রমাণ করে যে, ওই নির্বাচন কমিশন স্বাধীন এবং শক্তিশালী?

 

জামায়াতের এই নেতা আরও বলেন, অনেকে বলে, ছয় মাসের মাথায় আপনারা আন্দোলন শুরু করলেন। আমরা বলি, ছয় মাসের মাথায় তো সব শেষ করে দিল। আমরা এখন কী করব? বসে বসে আমরা খোদনে খাজেখান করব নাকি জাতির কিছু দায়িত্ব আমাদের ঘাড়ে আছে, সেটা আমাদের পালন করতে হবে? আমরা সেটা পালন করার চেষ্টা করছি। আমাদের এই দাবিগুলো যদি আপনাদের কাছে যৌক্তিক দাবি বলে মনে হয়, তাহলে আমরা সবার সহযোগিতা চাইব।

 

Manual7 Ad Code

মতবিনিময় সভায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগর আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও সিলেট জেলা আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান, সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস-উন-নূর, মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমির ও আসন্ন সিটি নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী ড. নূরুল ইসলাম বাবুল, মহানগর সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহজাহান আলী, জেলা সেক্রেটারি জয়নাল আবেদীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

(সুরমামেইল/এফএ)


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code