সাকা চৌধুরী এবং মুজাহিদের রায় কার্যকর

প্রকাশিত: ১:৫৬ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ২২, ২০১৫

সাকা চৌধুরী এবং মুজাহিদের রায় কার্যকর

Manual1 Ad Code

fasi 5

Manual4 Ad Code

সুরমা মেইল : একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদন্ডদেশপ্রাপ্ত বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর ও আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের ফাঁসি এক সাথে রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে কার্যকর হয় । বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইজি প্রিজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন।

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর জামায়াত নেতা কাদের মোল্লা ও ২০১৫ সালের ১১ এপ্রিল  কামারুজ্জামানের মৃত্যুদন্ড কার্যকরের পর তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে আজ সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর এবং চতুর্থ ব্যক্তি হিসেবে  জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর করা হলো।

Manual6 Ad Code

এর আগে রাত ৮টা ৫৫ মিনিটের দিকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেন ঢাকা জেলা প্রশাসক তোফাজ্জল হোসেন মিয়া। তার আগে কারাগারে যান আইজি (প্রিজন) সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন, অতিরিক্ত আইজি (প্রিজন) কবির হোসেন ও ডিআইজি (প্রিজন) গোলাম হায়দার। জ্যেষ্ঠ কারা তত্ত্বাবধায়ক ফরমান আলী আগে থেকেই কারাগারের ভেতরে ছিলেন বলে জানা যায়।

সাত জন জল্লাদ তাদের ফাঁসি কার্যকর করেছেন। এরা হলেন- ইকবাল, মাসুদ, আবুল, মোক্তার, রাজু, শাহজাহান ও হযরত। এসব জল্লাদ বিভিন্ন সময় ফাঁসি আসামিদের ফাঁসি কার্যকর করেন।

Manual2 Ad Code

রাত ১২টা ৩১ মিনিটে লাশ বহন করে এমন চারটি ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্স কারাগারের সামনে এনে রাখা হয়। ১২টা ৩৮ মিনিটে অ্যাম্বুলেন্সগুলো কারাগারে প্রবেশ করে।

সর্বশেষ শনিবার রাত সাড়ে ৯টায় সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর সঙ্গে শেষ দেখা করতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেন তার স্বজনেরা। সোয়া এক ঘণ্টা পর তারা কারাগার থেকে বের হয়ে আসেন। স্ত্রী-পুত্র-কন্যাসহ ১৮ জন স্বজন তার সঙ্গে দেখা করেন।

Manual2 Ad Code

রাত ১০টা ২৫ মিনিটে আলী আহসান মুজাহিদের সঙ্গে শেষ দেখা করতে কারাগারে প্রবেশ করেন স্বজনরা। তারা ঘণ্টা পর বের হন। স্ত্রী ও ছেলেসহ ৮ জন স্বজন তার সঙ্গে দেখা

সংবাদটি শেয়ার করুন
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code