সিলেট মহানগর পুলিশের আরো ২টি থানা বাড়ানোর দাবী

প্রকাশিত: ১:১৯ অপরাহ্ণ, মে ১৫, ২০১৬

সিলেট মহানগর পুলিশের আরো ২টি থানা বাড়ানোর দাবী

Manual6 Ad Code

download (2)

Manual1 Ad Code

সুরমা মেইল নিউজ : সিলেট নগরবাসীর উন্নত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে সিলেট মহানগর পুলিশের থানার সংখ্যা বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে। নতুন করে আরো দু’টি থানা করার বিষয়টি ভাবছে সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি)। নতুন পরিকল্পনায় আম্বরখানা ও উপশহরের আশেপাশের ৪টি করে ওয়ার্ডকে পুরনো থানা থেকে কেটে এনে নতুন দু’টি থানা করার পরিকল্পনা রয়েছে এসএমপি কর্তৃপক্ষের।

২০০৬ সালে সিলেট কোতোয়ালি থানা ও দক্ষিণ সুরমা থানা দু’টি নিয়ে যাত্রা শুরু হয় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের। পরে ২০১১ সালের ১১ আগস্ট এসএমপির আওতাধীন শাহপরাণ, বিমানবন্দর, জালালাবাদ ও মোগলাবাজার এ চারটি থানার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। এরপর থেকে মোট ৬টি থানা দিয়েই চলছে সিলেট মহানগর পুলিশের কার্যক্রম। থানা সংখ্যার বিপরীতে বেশি সীমানা, জনবল সংখ্যা কম থাকায় পুলিশি সেবায় সমস্যা পোহাতে হচ্ছে জনসাধারণকে। কোন কোন ক্ষেত্রে দূরত্বও হয়ে দাঁড়িয়েছে ফ্যাক্টর।

Manual3 Ad Code

২০১১ সালে নতুন চার থানার কার্যক্রম শুরুর পর থেকে মহানগরবাসীকে মুখোমুখি হতে হয় নতুন অভিজ্ঞতার। নতুন করে নির্ধারণ করা হয় থানা এলাকা। কোতোয়ালি থানার বিভিন্ন এলাকা কেটে নিয়ে বন্টন করা হয় নতুন সৃষ্ট থানাগুলোতে। এ কারণে আম্বরখানাবাসীকে ছুটতে হয়েছে উল্টোদিকে তথা বিমানবন্দর থানায়। আর শাহজালাল উপশহর, টিলাগড়বাসীকেও ছুটতে হয়েছে উল্টোপথে শাহপরাণ (র.) থানাতে। বিমানবন্দর থানা আর শাহপরাণ (রহ.) থানার অবস্থান নগরী থেকে বেশ দূরে। রাতের বেলা যাতায়াত সুবিধাও ভালো নয়। এসব কারণেই শাহপরান থানাধীন নগরীর ৪টি ওয়ার্ডের মানুষ ইতিমধ্যে পৃথক থানা স্থাপনের দাবিতে কথাবার্তা বলছেন। বিমানবন্দর থানাবাসী এক্ষেত্রে কিছুটা নমনীয় থাকলেও তাদেরও ভোগান্তির শেষ নেই।

Manual7 Ad Code

জানা গেছে- মহানগর পুলিশের (এসএমপি) বর্তমান ৬ থানার সাথে নতুন আরো ২টি থানা হবে নগরীর ৮টি ওয়ার্ড নিয়ে। তবে বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে আছে।

এদিকে, নগরীর ৪টি ওয়ার্ড নিয়ে নতুন আরেকটি থানা গঠনের দাবি ওঠেছে। বর্তমানে শাহপরাণ (রহ.) থানাধীন ২০, ২১, ২২ ও ২৪নং ওয়ার্ড নিয়ে পৃথক থানা গঠনের দাবিতে মতবিনিময়সহ জনমত গঠনের কাজ শুরু করেছেন স্থানীয় লোকজন। পুলিশের সাহায্যপ্রার্থী মানুষদের নানারকম ভোগান্তি থেকে বাঁচাতে পৃথক থানা গঠনের যৌক্তিকতা রয়েছে উল্লেখ করে থানা গঠনের দাবিতে চলমান বিভিন্ন কার্যক্রমে জনপ্রতিনিধিরাও সমর্থন দিয়েছেন।

স্থানীয়দের দাবি- শাহপরাণ (রহ.) থানা বর্তমানে যে স্থানে অবস্থিত- সে এলাকাটি অনেক দূরে। জরুরি প্রয়োজনে তারা যখন পুলিশের সাহায্য নিতে চান; তখন তাদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। নগরীর ২০, ২১, ২২ ও ২৪নং ওয়ার্ড থেকে শাহপরাণ থানা প্রাঙ্গণে মানুষের যাতায়াত করতে হলে নিরাপত্তা ঝুঁকিও থাকে। ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের দাবি ওই এলাকাটি মূল নগরীতে বেশ দূরে আর নিরব হওয়ায় যাতায়াত রাস্তায় ছিনতাইয়ের ঘটনাও ঘটে অহরহ। নতুন থানার দাবিতে ইতিমধ্যে একাধিক সভাও করেছেন স্থানীয় লোকজন। এসব সভায় ওয়ার্ডের বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দ নতুন থানা গঠনের ব্যাপারে তাদের মতামত তুলে ধরেন।

সিসিক কাউন্সিলর আবদুর রকিব তুহিন ওয়ার্ডবাসীর পক্ষে পৃথক একটি থানা গঠনের ব্যাপারে একটি প্রস্তাবনা প্রদান করেন। এব্যাপারে কাউন্সিলর আবদুর রকিব তুহিন বলেন, ২০, ২১, ২২ ও ২৪নং ওয়ার্ড থেকে শাহপরাণ (রহ.) থানার অবস্থান বেশ দূরে। একারণে সাহায্যপ্রার্থী মানুষদের সমস্যার অন্ত নেই। তিনি বলেন, আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি- উল্লেখিত ৪ ওয়ার্ড ও টুলটিকর ইউনিয়নকে অন্তর্ভুক্ত করে পৃথক আরেকটি নতুন থানা গঠন করার জন্য।

Manual8 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code