সিলেট ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২:০৫ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২৮, ২০২৬
মেইল ডেস্ক:
নেপালে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যার পাহাড়ি ঢল ভারতের ফারাক্কা বাঁধ অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে। পরবর্তীতে এই প্রবাহ গঙ্গা থেকে যমুনার সঙ্গে মিলিত হয়ে পদ্মা নদীর পানিবৃদ্ধি ঘটাতে পারে বলে জানিয়েছেন কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যায়ালের আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকায় সতর্ক বার্তা দেন।
গবেষকের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তিব্বত-নেপাল সীমান্তের ভয়াবহ বন্যার পানি ভোতি কোশি ও ত্রিশুলি নদী হয়ে নারায়নি-গন্ধক নদীব্যবস্থার মাধ্যমে ভারতের বিহারের দিকে ধাবিত হচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ইতোমধ্যে বিহারের ভালমিকিনগরের গন্ধক বাঁধের ৩৬টি গেটই খুলে দেওয়া হয়েছে।
নেপালের পানির সম্ভাব্য গতিপথ : বাল্মীকিনগর → গণ্ডক → হাজীপুর/সোনপুর → গঙ্গা → পূর্ব বিহার → ফারাক্কা → বাংলাদেশ।
গন্ধক নদীর এই অতিরিক্ত প্রবাহ বিহারের হাজিপুর-সোনপুরের কাছে গঙ্গায় মিশে পূর্বদিকে ফারাক্কা অতিক্রম করবে এবং বাংলাদেশে ঢুকবে। তবে নদীপথে দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করার সময় পাহাড়ি ঢলের শক্তি কতটা বজায় থাকবে বা ঠিক কোন সময়ে তা বাংলাদেশে পৌঁছাবে, তা এই মুহূর্তে নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় পানি কমিশন।
বর্তমানে বিহারে গঙ্গার কয়েকটি পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ওপরে রয়েছে। ফলে নেপালের অতিরিক্ত পানি যুক্ত হলে সামগ্রিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে।
বাংলাদেশ অংশের গঙ্গা-পদ্মা তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
(সুরমামেইল/এফএ)
প্রধান উপদেষ্টাঃ ফয়েজ আহমদ দৌলত
উপদেষ্টাঃ খালেদুল ইসলাম কোহিনূর
উপদেষ্টাঃ মোঃ মিটু মিয়া
উপদেষ্টাঃ অর্জুন ঘোষ
আইন বিষয়ক উপদেষ্টাঃ এড. মোঃ রফিক আহমদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : মোহাম্মদ হানিফ
সম্পাদক ও প্রকাশক : বীথি রানী কর
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : ফয়সাল আহমদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: কামরুল হাসান
নিউজ ইনচার্জ : সুনির্মল সেন
অফিস : রংমহল টাওয়ার (৪র্থ তলা),
বন্দর বাজার, সিলেট।
মোবাইল : ০১৭১৬-৯৭০৬৯৮
E-mail: surmamail1@gmail.com
Copyright-2015
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি