শহরে স্ট্রোক, গ্রামে ক্যানসার

প্রকাশিত: ৫:২১ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৬

শহরে স্ট্রোক, গ্রামে ক্যানসার

Manual3 Ad Code

Bueroo

Manual7 Ad Code

সুরমা মেইল নিউজ : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এর এক প্রতিবেদনে দেখা যায় শহরের সব চাইতে বেশি মানুষ মারা যায় স্ট্রোক রোগে। আর গ্রামে মৃত্যুর হার সব চাইতে বেশি ক্যানসারে।

Manual7 Ad Code

বিশেষজ্ঞরা বলেন, অধিকচিন্তা এবং খাদ্য-অভ্যাসের কারণে মানুষের মধ্যে এ ঘাতক রোগের প্রকোপ বেড়ে চলছে। অধিকচিন্তার কারণে শহরের মানুষের মধ্যে স্ট্রোকের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে।

জাতীয় রোগ ও রোগতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান বলেন, গ্রামের মহিলারা একটি বিশেষ সময় অপরিষ্কার ও অপরিচ্ছন্ন থাকার কারণে এবং গ্রামের মানুষের মধ্যে অধিক পান, জরদা, বিড়ি সিগারেট খাওয়ার কারণে গ্রামের মানুষের মধ্যে ক্যানসার অধিক হারে দেখা দেয়। অন্যদিকে শহরের মানুষের মধ্যে অতিরিক্ত মানসিক চাপ থাকার কারণে স্ট্রোক রোগে মৃত্যুর হার বদ্ধি পাচ্ছে।

Manual8 Ad Code

বিবিএস ১ হাজার মানুষের ১৫টি রোগের উপর একটি এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

বিবিএসের প্রতিবেদনে দেখা যায়, বাংলাদেশে প্রতি ১০০ জনে শহরে স্ট্রোকে মারা যায় দশমিক ৬৪ শতাংশ মানুষ, গ্রামে মারা যায় স্ট্রোকে দশমিক ৫৯ শতাংশ মানুষ। ক্যানসারে শহরে মারা যায় দশমিক ৩৮ শতাংশ মানুষ, গ্রামে মারা যায় দশমিক ৫৬ শতাংশ মানুষ। হৃদরোগে গ্রামে মারা যায় দশমিক ১৯ শতাংশ মানুষ, শহরে মারা যায় দশমিক ২৭ শতাংশ মানুষ। নিউমোনিয়ায় গ্রামে মারা যায় দশমিক ২১ শতাংশ মানুষ, শহরে মারা যায় দশমিক ১৮ শতাংশ মানুষ। অ্যাকসিডেন্টে শহরে মারা যায় দশমিক ১৩ শতাংশ মানুষ, গ্রামে মারা যায় দশমিক ১৬ শতাংশ মানুষ। ডায়াবেটিস রোগে শহরে মারা যায় দশমিক ১৪ শতাংশ মানুষ, গ্রামে মারা যায় দশমিক ১৩ শতাংশ মানুষ। জন্ডিস রোগে শহরে মারা যায় দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ, গ্রামে মারা যায় দশমিক ১২ শতাংশ মানুষ। কিডনি সমস্যায় শহরে মারা যায় দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ, গ্রামে মারা যায় দশমিক ১০ শতাংশ মানুষ।

Manual7 Ad Code

উল্লেখ্য, অন্য এক গবেষণায় দেখা যায় শিশুদের এক- তৃতীয়াংশ মারা যায় নিউমোনিয়া রোগে। এর মধ্যে শহরেই ৩৫ শতাংশ শিশু শুধু নিউমোনিয়া রোগে মারা যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code