সিলেট ৪ঠা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৪:১৭ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৯, ২০১৯
বগুড়া শহরে কথিত গোলাগুলিতে শীর্ষ সন্ত্রাসী রাফিদ আনাম ওরফে স্বর্গ নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপশহরের ধুন্দাল সেতু এলাকায় নামাজগড়-ধরমপুর সড়কে দুই দল সন্ত্রাসীর ‘গোলাগুলিতে’ রাফিদ আনাম (২৫) নামের যুবক নিহত হন।
রাফিদ নিহত হওয়ার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী।
পুলিশ ও এলাকাবাসীর ভাষ্য, নিহত রাফিদ আনাম এলাকায় স্বর্গ নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন। তাঁর বাবা বগুড়ার শীর্ষ সন্ত্রাসী লিয়াকত আলী ২০০৬ সালে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন। কিশোর বয়সেই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত হন রাফিদ। ২০১২ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে তিনি প্রথম হত্যা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই বছরের ১২ জুন এলাকায় অনুষ্ঠিত কনসার্টে রাফিদের চাচা আরেক সন্ত্রাসী আশরাফ আলীর সঙ্গে তর্কের জের ধরে সরকারি শাহ সুলতান কলেজের ছাত্র নিরঞ্জন চক্রবর্তী দীপু হত্যার ঘটনা ঘটে। ওই মামলার আসামি ছিলেন তিনি।
বলা হয়, এর আগে ২০১১ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি শহরের জলেশ্বরী পলা এলাকায় প্রোগ্রেস কোচিং সেন্টারের মালিকানা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে মালিক মোস্তাফিজুর রহমানের ভাগনে শরিফুল আলমকে হত্যা করেন রাফিদ। ওই হত্যাকাণ্ডে তিনি ভাড়াটে খুনি ছিলেন। সবশেষ পয়লা বৈশাখে বগুড়া সদর উপজেলা
বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম হত্যার ঘটনায়ও তিনি ভাড়াটে খুনি হিসেবে ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মাহবুব আলম খুন হওয়ার মাত্র সাড়ে তিন মাস আগে জামিনে কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন রাফিদ আনাম। মাহবুব আলম খুনের সঙ্গে রাফিদ আনামের হত্যার স্টাইলের মিল ছিল।
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি