দুদকের মামলায় এবার সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক রেজিস্ট্রার কারাগারে

প্রকাশিত: ৬:৩৯ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৭, ২০২৬

দুদকের মামলায় এবার সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক রেজিস্ট্রার কারাগারে

Manual5 Ad Code

সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নঈমুল হক চৌধুরী।


নিজস্ব প্রতিনিধি:
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নঈমুল হক চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুনশী আব্দুল মজিদ তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর শফিউল আলম।

 

এরআগে মঙ্গলবার দুপুরে দুদকের মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করেন।

Manual2 Ad Code

 

Manual3 Ad Code

নঈমুল হক চৌধুরী সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সূচনা লগ্নে পরিচালক (অর্থ) ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। নঈমুল হক চৌধুরী দুদকের মামলায় চার্জশীটভূক্ত ২ নম্বর আসামী। ওই মামলার প্রধান আসামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) ডা.মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী এখনও পলাতক রয়েছেন।



এরআগে গত রোববার দুর্নীতির মামলায় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও আটজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

 

দুদকের মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এ বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এ অভিযোগ আমলে নিয়ে ইউজিসি ২০২৩ সালে তদন্ত করে। তদন্তে তৎকালীন উপাচার্য মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. নঈমুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির সত্যতা পাওয়া যায়। পরে দুদকের সিলেটের সমন্বিত জেলা কার্যালয় নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে তৎকালীন উপাচার্য, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারসহ ৫৮ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ১ এপ্রিল মামলা করে। ওই বছরের ২৫ এপ্রিল ৫৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

Manual1 Ad Code

 

দুদক সূত্রে জানাযায়, উপাচার্য ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করে সিন্ডিকেট ও ইউজিসির অনুমোদন ছাড়া বিধিবহির্ভূতভাবে বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেন। ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ২২০ জনকে সম্পূর্ণ অস্থায়ীভাবে (অ্যাডহক) ছয় মাসের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে মেয়াদ অনূর্ধ্ব ছয় মাস পর্যন্ত বাড়ানো হয়। নির্ধারিত সময় পূর্ণ হওয়ার পর চাকরি নিয়মিত না করে আবার অ্যাডহকে দুই থেকে পাঁচবার পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়।

 

(সুরমামেইল/এমকে)

Manual8 Ad Code


সংবাদটি শেয়ার করুন
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code