সিলেটে যে কারণে জ্বালানি তেলের সংকট

প্রকাশিত: ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ২৫, ২০২৬

সিলেটে যে কারণে জ্বালানি তেলের সংকট

Manual1 Ad Code

মেইল ডেস্ক:
ঈদের ছুটির কারণে ছয় দিন ব্যাংক বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন সিলেটের স্বল্প পুঁজির পেট্রল পাম্প মালিকরা।

 

সোমবার (২৩ মার্চ) তেল কিনতে পারেননি পেট্রল পাম্প মালিকরা। মূলত এই কারণে তেলের সংকট দেখা দেয়। ব্যাংক খোলায় মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) থেকে সংকট কিছুটা কেটে গেছে। পাম্প বন্ধ হওয়ারও আশঙ্কা নেই।

Manual6 Ad Code

 

গত সোমবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন পেট্রল পাম্প ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ পাম্পেই নেই অকটেন। ডিজেল চাহিদার তুলনায় কম ছিল। বিশেষ করে অকটেনের ঘাটতিতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালকরা। নগরীর বিভিন্ন পাম্প ঘুরেও কাঙ্ক্ষিত তেল না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরতে হয়েছে তাদের।

 

পাম্প কর্তৃপক্ষ বলেছিল, ডিপো থেকে চাহিদার তুলনায় কম তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে অকটেন সংকটে থাকা পাম্পগুলোতে তেল সরবরাহ করতে শুরু করেছে পেট্রোলিয়াম কোম্পানিগুলো।

 

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে চার দিন ধরে অকটেন বিক্রি করতে না পারা উত্তরা পেট্রোলিয়ামের জেনারেল ম্যানেজার মারুফ আহমদ জানান, আজ (মঙ্গলবার) ১৮ হাজার লিটার অকটেন তার পেট্রল পাম্প পেয়েছে। আপাতত কোনও সংকট নেই। তবে পরবর্তীতে তেল কবে পাবো এটা অনিশ্চিত।

 

Manual6 Ad Code

এদিকে অবৈধ মজুত ঠেকাতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের রেশনিংয়ের কারণে পাম্পগুলো ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে কিছুটা হিমশিম খাচ্ছে।

 

নগরীর মাইক্রোবাস চালক মাছুম আহমদ বলেন, সোস্যাল মিডিয়ার খবর দেখে আমার গাড়িতে দুই হাজার টাকার অতিরিক্ত তেল নিয়েছি। এজন্য পাম্পে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে।

Manual1 Ad Code

 

ডিজেলের কিছুটা সংকট থাকায় পর্যাপ্ত পাওয়া যায়নি বলে জানান বাংলাদেশ পেট্রল পাম্প মালিক সমিতির সিলেট বিভাগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির।

 

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার, ডিস্ট্রিবিউটর, এজেন্ট ও পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিলেট বিভাগীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রিয়াশাদ আজিম হক আদনান বলেন, ঈদের ছুটির সময় তিন কারণে সিলেটে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট দেখা দেয়। ব্যাংক বন্ধ থাকায় স্বল্প পুঁজির পাম্প মালিকদের পে অর্ডার করতে না পারা, অ্যাডভান্স করে পে অর্ডার না করা এবং সোস্যাল মিডিয়ায় পেট্রল পাম্পে তেল পাওয়া যাবে না মর্মে চটকদার ফটোকার্ড কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

 

তিনি বলেন, ব্যাংক বন্ধ থাকার কারণে গত ৪/৫ দিন সিলেটের ছোট ছোট পাম্পগুলো গ্রাহকদের চাহিদা পূরণে কিছুটা বেকায়দায় পড়েছে। সেগুলো প্রতিদিনের ব্যাংক পে-অর্ডার প্রতিদিন করে। কিন্তু ব্যাংক বন্ধের কারণে তারা পে-অর্ডার করতে পারেনি। এটা এসব পাম্পের মালিকের ব্যর্থতা। আবার বড় বড় পাম্পগুলো অ্যাডভান্স করে পে-অর্ডার করায় তাদের সমস্যা হয়নি। এ ছাড়া তেল না প্রাপ্তির বিষয়ে চটকদার ফটোকার্ডের ফলে অতিরিক্ত গ্রাহকরা পাম্পগুলোতে গিয়ে ভিড় করেন। তবে ব্যাংক খোলায় মঙ্গলবার থেকে স্বাভাবিকভাবেই পাম্পগুলে তেল পাওয়া যাচ্ছে। অবৈধ মজুতদারি ঠেকাতে বিপিসির রেশনিংয়ের কারণে গ্রাহকদের চাহিদা মেটাতে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে।

Manual7 Ad Code

 

(সুরমামেইল/এমকে)


সংবাদটি শেয়ার করুন
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code