সিলেট ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১০:৫৯ অপরাহ্ণ, জুলাই ২, ২০২৬
মো. ইন্তাজ আলী। ফাইল ছবি
জৈন্তাপুর প্রতিনিধি:
সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার ১নং নিজপাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইন্তাজ আলীকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওর সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন।
জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় গঠিত এ কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হয়, কয়েক সেকেন্ডের ভাইরাল ভিডিওতে মাদক সেবন করতে দেখা দুই ব্যক্তির একজন নিজপাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইন্তাজ আলী এবং অন্যজন ফয়জুল। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর জৈন্তাপুরজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয় এবং অনেকেই নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।
তবে ভাইরাল ভিডিওটির সত্যতা এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি সংস্থা বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।

স্ক্রিনশট।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সারীঘাট ডুপি গ্রামের ফয়জুল ইসলামের নামে ব্যবহৃত একটি ফেসবুক আইডি থেকে প্রথমে ভিডিওটি প্রচার করা হয়। পরে সেটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একের পর এক পোস্ট, বিতর্কিত ভিডিও শেয়ার ও বিরূপ মন্তব্যের পর নিজপাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইন্তাজ আলী বলেন, ‘ভিডিওতে আমার মতো দেখা গেলেও ওই ব্যক্তি আমি নয়। আমাকে ফাঁসানোর জন্য, আমার মানহানি করতে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিওটা সাজানো হয়েছে।’
চেয়ারম্যান ইন্তাজ আলী আরও বলেন, ‘ভিডিও পোস্টকারী ব্যক্তির সঙ্গে সালিস-সংক্রান্ত বিষয়ে শত্রুতার জের থাকতে পারে বলে তিনি ধারণা করেন।’
সাধারণ মানুষের দাবির প্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওতে চেয়ারম্যান ইন্তাজ আলীর সংশ্লিষ্টতা যাচাইয়ের জন্য সিলেটের জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে জৈন্তাপুর উপজেলা প্রশাসন।
জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুনন্দা রায় তদন্ত কমিটি গঠনের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘জেলা প্রশাসক মহোদয়ের আদেশক্রমে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত আর কিছু বলা যাচ্ছে না।’
(সুরমামেইল/এসএ)
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি