গোবিন্দগঞ্জে ছাত্রলীগ ও শ্রমিকদের সংঘর্ষে আহত অর্ধশত

প্রকাশিত: ১২:৫৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৭, ২০১৬

গোবিন্দগঞ্জে ছাত্রলীগ ও শ্রমিকদের সংঘর্ষে আহত অর্ধশত

Manual6 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকের গোবিন্দগঞ্জে ছাত্রলীগ ও অটোটেম্পু-লেগুনা শ্রমিকের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ, ইউপি চেয়ারম্যান, পথচারীসহ উভয় পক্ষের অর্ধ শতাধিক লোক আহত হয়েছে। রোববার বিকেলে প্রায় দু’ঘন্টা ব্যাপী গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

Manual5 Ad Code

জানা গেছে, ছাত্রলীগ কর্মী রাসেলকে অটোটেম্পু শ্রমিক ইমামুল হক কটুক্তি করলে এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটা-কাটি হয়। পরে গোবিন্দগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ ক্যাম্পাস থেকে ছাত্রলীগ প্রতিবাদ মিছিল বের করে। প্রতিবাদ মিছিলটি পয়েন্টেস্থ অটোটেম্পু শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় অতিক্রম করতে গেলে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে ব্যাপক ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। ভাংচুর করা হয়েছে ২৫-৩০টি সিএনজি ও লেগুনা গাড়ি। সংঘর্ষ চলাকালে দু’পক্ষের ছোঁড়া ইট-পাটকেলে পথচারী, সালিশকারী ইউপি চেয়ারম্যান আখলাকুর রহমানসহ অর্ধ শতাধিক লোক আহত হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করতে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ও টিয়ার সেল নিক্ষেপ করেছে। সংঘর্ষ চলাকালে সিলেট-সুনামগঞ্জ ও ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়কে যান চলা-চল বন্ধ হয়ে পড়ে। গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টসহ এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে আতংক। এসময় পয়েন্টসহ এলাকার সকল দোকান-পাট বন্ধ হয়ে যায়। সংঘর্ষে আহত সেচ্ছাসেবক লীগনেতা ওবায়দুর রউফ বাবলু, ছাত্রলীগনেতা তাজাম্মুল হক রিপন, রাকিব উদ্দিন, আল-আমিন, নাজমুল হোসেন, এসকে মাহিন, পাবেল, জিলানী, সালমান, সাজু, মাহবুব, বাবলুর রহমান, রাসেল আহমদ, আবুল কাসেম, মোতাহার, সুমন মিয়া, দ্বীনুল ইসলাম, শ্রমিক সিরাজুল ইসলাম, সাকিল, সদর, সাব্বির, বিরহাম, এনামুল হক, আহমদ আলীসহ আহতদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং কৈতক হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

Manual6 Ad Code

ছাতক থানার এসআই সোহেল রানা জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করতে ৭রাউন্ড ফাঁকা গুলি ও ৬ রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। এসময় এসআই সোহেল রানা, কনষ্ট্রেবল মাহফুজ ও সুমন পাল আহত হন। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। গোবিন্দগঞ্জ অটোটেম্পু ষ্ট্যান্ডের সভাপতি আফতাব উদ্দিন জানান, ছাত্রলীগ মিছিল সহকারে ষ্ট্যান্ডে এসে হামলা করে তাদের কার্যালয়, প্রধান মন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুরসহ ৪০টি গাড়ি ভাংচুর করেছে। এসময় তাদের হামলায় ৩০জন শ্রমিক আহত হয়েছে। উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মনজুর আলম জানান, আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এড. মিসবাহ উদ্দিন সিরাজসহ সিলেটের তিন নেতাকে স্বাগত জানিয়ে মিছিল বের করা হয়।

মিছিল শেষে ষ্ট্যান্ডে পথ সভা করতে গেলে সভা স্থানে এক শ্রমিক তার গাড়ি ঢুকিয়ে রাখলে এনিয়ে কথা কাটা-কাটি হয়েছে। এসময় শ্রমিক ইউনিয়নের লোকজন তাদের পথসভায় হামলা চালিয়ে ২০জন ছাত্রলীগের নেতা কর্মীকে আহত করেছে। প্রধান মন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুর ছবি ছাত্রলীগ কর্মীরা ভাংচুর করেনি।

Manual3 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code