সিলেট ২২শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৪:০৮ পূর্বাহ্ণ, জুন ৯, ২০১৮
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে জালনোট তৈরির মূলহোতাসহ ১০ জনকে আটক করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এসময় তাদের কাছ থেকে প্রায় এক কোটি টাকার জালনোট উদ্ধার করা হয়। এবারের ঈদে পাঁচ কোটি টাকার জালনোট বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা ছিল তাদের।
শুক্রবার (০৮ জুন) বিকেলে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার দেবদাস ভট্টাচার্য।
তিনি জানান, এক লাখ জাল টাকার নোট তৈরি করতে খরচ হয় প্রায় ১০ হাজার টাকা। পরবর্তী সময়ে তা পাইকারি বিক্রেতার নিকট এই জাল এক লাখ টাকা ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। পাইকারি বিক্রেতা প্রথম খুচরা বিক্রেতার নিকট বিক্রয় করে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা, প্রথম খুচরা বিক্রেতা দ্বিতীয় খুচরা বিক্রেতার নিকট বিক্রয় করে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকায় এবং দ্বিতীয় খুচরা বিক্রেতা মাঠপর্যায়ে সেই টাকা সমমূল্যে অর্থাৎ আসল এক লাখ টাকায় বিক্রয় করে।
এভাবে সাধারণ মানুষকে প্রতারণা করে আসছি চক্রটি। এই চক্রের এক নারীসহ ১০ জনকে ধরার পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদে এ তথ্য জানা গেছে।
তিনি আরও জানান, মাঠপর্যায়ে কর্মীরা বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য, দ্রবাদি ক্রয়ের মাধ্যমে এই জালনোট বাজারে বিস্তার করে থাকে। আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে এই চক্র বাজারে প্রায় ৫ কোটি টাকা ছাড়ার পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছিল বলে গ্রেফতারকৃতরা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে।
গ্রেফতাররা হলেন- রফিক, জাকির, হানিফ, রাজন শিকদার ওরফে রাজা ওরফে রাজু, খোকন ওরফে শাওন, রিপন, মনির, সোহরাব, জসিম ও লাবণী। কদমতলী থানায় দায়ের করা একটি মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
বিশেষ অভিযানে তাদের সঙ্গে প্রায় এক কোটি জাল টাকা জব্দ করা হয়। সেইসঙ্গে জব্দ করা হয় টাকা তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম। এর মধ্যে জাল টাকা তৈরির জন্য কালো রঙের অ্যাসার একটি, একটি ল্যাপটপ, দুটি কালার প্রিন্টার, জাল টাকার প্রিন্টকৃত ১৬টি পাতা, স্ক্রিন বোর্ড ১০টি (এর সাহায্যে জালনোটে জলছাপ হলগ্রাম লেখার প্রিন্ট দেয়া হয়), স্ক্রিন বোর্ডের পিড়া, জালটাকা তৈরির আইপিআই কালির সাদা প্লাস্টিকের কৌটা ২৭টি, কালার কার্টিজ ৩০০টি ও জালটাকা তৈরি সূতা ও রোল রয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার দেবদাস ভট্টাচার্য বলেন, জাল টাকা তৈরির এই চক্রের মূলহোতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার নাম রফিক। তিনি প্রথম জীবনে নোয়াখালী ছগির মাস্টার নামক এক ব্যক্তির সহযোগী হিসেবে জাল টাকা তৈরি করতেন। একপর্যায়ে তিনি নিজেই সরঞ্জামাদি ক্রয় করে রাজধানীর কদমতলী থানাধীন পূর্বজুরাইন বৌ-বাজার এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে জাল টাকা তৈরি শুরু করে। তিনি তার অন্যতম সহযোগী রাজন, লাবণী ও অন্যদের নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কদমতলীসহ ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে জাল টাকার ব্যবসা করে আসছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টাঃ ফয়েজ আহমদ দৌলত
উপদেষ্টাঃ খালেদুল ইসলাম কোহিনূর
উপদেষ্টাঃ মোঃ মিটু মিয়া
উপদেষ্টাঃ অর্জুন ঘোষ
আইন বিষয়ক উপদেষ্টাঃ এড. মোঃ রফিক আহমদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : মোহাম্মদ হানিফ
সম্পাদক ও প্রকাশক : বীথি রানী কর
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : ফয়সাল আহমদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: কামরুল হাসান
নিউজ ইনচার্জ : সুনির্মল সেন
অফিস : রংমহল টাওয়ার (৪র্থ তলা),
বন্দর বাজার, সিলেট।
মোবাইল : ০১৭১৬-৯৭০৬৯৮
E-mail: surmamail1@gmail.com
Copyright-2015
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি