চিকিৎসক সংকট : কবর থেকে উত্তোলন হচ্ছে না রাউধার লাশ!

প্রকাশিত: ৩:৩৪ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২০, ২০১৭

চিকিৎসক সংকট : কবর থেকে উত্তোলন হচ্ছে না রাউধার লাশ!

Manual7 Ad Code

সুরমা মেইল ডেস্ক :: মডেল কন্যা রাউধা অতিফের লাশ বৃহস্পতিবার কবর থেকে উত্তোলন করা হচ্ছেনা। একদিকে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া অন্যদিকে ময়নাতদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক সংকট। ফলে পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য লাশ তোলা যাচ্ছে না।

Manual5 Ad Code

তবে আগামী সপ্তাহের যে কোনো দিন মালদ্বীপ কন্যা রাজশাহী ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীর লাশ তোলা হবে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক আসমাউল হক।

Manual8 Ad Code

তিনি সাংবাদিকদের জানান, আবেদনের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার রাউধার লাশ কবর থেকে তোলার অনুমতি দেন আদালত। এ সময় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ডা. রক্তিম চৌধুরীকে উপস্থিত থাকার জন্য বুধবার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) সুব্রত পাল নির্দেশও দেন। সেই প্রেক্ষিতে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বৃহস্পতিবার সকালে লাশ উত্তোলনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলেন। সব কিছুর আয়োজন করা হলেও চিকিৎসক সংকটের কারণে পিছিয়ে গেছে লাশ তোলার দিনক্ষণ।

Manual4 Ad Code

গত ২৯ মার্চ ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজের ছাত্রী হোস্টেলের ২০৯ নং রুম থেকে রাউধার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ দিন কলেজ কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানায় তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এর প্রেক্ষিতে ঘটনার দিন রাতে কলেজ কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে শাহমুখদুম থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করে। এরপর ৩১ মার্চ রাউধার লাশের ময়নাতদন্ত করা হয় এবং ১ এপ্রিল দেয়া প্রতিবেদনে আত্মহত্যা বিষয়টি উঠে আসে। এ দিন পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে রাউধাকে রাজশাহী মহানগরীর হেতেমখাঁ কবরস্থানে দাফন করা হয়। কিন্ত আত্মহত্যার বিষয়টি কোনভাবেই মেনে নিতে পারেন নি রাউধার পরিবারের সদস্যরা। ঘটনার ১২ দিনের মাথায় তার বাবা ডাঃ মোহাম্মদ আতিফ রাজশাহী মহানগর মূখ্য হাকিম আদালতে বাদি হয়ে এজাহার দায়ের করেন। পরের দিন ১১ এপ্রিল এজাহারটি শাহমুখদুম থানায় মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়।

হত্যা মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, রাউধাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। এ মামলায় রাউধার সহপাঠি সিরাত পারভীন মাহমুদকে (২১) একমাত্র আসামি করা হয়েছে। তার বাড়ি ভারতের কাশ্মিরে। এই মামলার রেকর্ডের দু’দিন পেরুতে না পেরুতেই পুলিশ সদর দফতর থেকে তা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেয়া হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক ১৬ এপ্রিল থেকে মামলার তদন্ত কাজ শুরু করে এবং রাউধার লাশের পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য লাশ উত্তোলনের বিষয়ে আদালতে আবেদন করেন। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার আদালত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে লাশ উত্তোলনের আদেশ দেন। সেই প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার লাশ উত্তোলনের সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

সংবাদটি শেয়ার করুন
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code