সিলেট ১৭ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৫:২৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৬, ২০১৬
সুনির্মল সেন :: সিলেট নগরীতে দীর্ঘদিন ধরে একটি অসাধু চক্র ছেড়ানোট ভাঙ্গানোর নামে অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে আসছে। এতে স্থানীয় প্রশাসন রহস্য জনক কারণে নিরব ভুমিকা পালন করছে। এই অসাধু চক্র আসল টাকার ভিতর জাল টাকা ঢুকিয়ে প্রতিদিন প্রতারিত করছে নাগরিকদের। টাকার ব্যবসা প্রকাশ্যে চললেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আজো কেউ গ্রেফতার হয়নি।
গ্রাম-গ্রামান্তর থেকে শহরে আসা সাধারণ জনগোষ্টি টাকা ভাঙ্গাতে গিয়ে এ চক্রের হাতে নাজেহাল ও বার বার প্রতারণার শিকার হচ্ছে। শুভ চিন্তার ও সচেতন মহলের পক্ষ থেকে দাবী উঠেছে- ছেড়ানোট ভাঙ্গানোর নামে অবৈধ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান জোড়দার করা প্রয়োজন।
সিলেট সিটি কর্পোরেশন সংলগ্ন ফুটপাত, জেলা পরিষদের সামনা, বন্দর বাজারের ক’টি হোটেলের সন্নিকটবর্তী ও সুরমা মার্কেটের সামনে ফুটপাত তাদের এই অবৈধ টাকার ব্যবসার প্রধান কেন্দ্র বিন্দু হিসেবে পরিচিত। এসব স্থানে তারা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে প্রকাশ্যে টাকা ভাঙ্গানোর নামে অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।
প্রশ্ন ওঠেছে, কোনো বৈধ মুদ্রা ভাঙ্গাতে হলে, এমনকি ছেড়ানোট বদল বা ভাঙ্গাতে হলে বাংলাদেশ ব্যাংক ছাড়া সরকারের নির্দিষ্ট ব্যাংকে টাকা ভাঙ্গাতে হবে। রাস্তা ঘাটে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে টাকা ভাঙ্গানো ব্যবসা সম্পুর্ণ বেআইনি, এতে প্রতারণার সম্ভাবনা শতভাগ।
এ ব্যবসার বিষয়ে জানতে চাইলে তারা জানায়, সরকার থেকে আমাদেরকে কোনো অনুমোদন দেয়া হয়নি। আমরা স্থানীয় পুলিশকে ম্যানেজ করে ব্যবসা দীর্ঘদিন ধরে করে আসছি। আজ পর্যন্ত আমাদের কোনো অসুবিধা হয়নি।
পুলিশের সাবেক এক কর্মকর্তা জানান, রাস্তায় দাঁড়িয়ে টাকা ভাঙ্গানো সঠিক নয়। ওদের কাছ থেকে টাকা ভাঙ্গালে পরবর্তীতে প্রায়ই দেখা যায় জাল টাকা। ওরা সংঘবদ্ধ তাই নিরীহরা প্রতারিত হওয়ার পরেও মুখ খুলে বলতে পারে না।
তিনি বলেন, রাস্তা ঘাটে ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়া এভাবে প্রকাশ্যে টাকা ভাঙ্গানোর নামে প্রতারণার ব্যবসা, এতে দেশের ভাবমুর্তি নষ্ট হচ্ছে। এ ব্যাপারে সরকারের তরিৎ গতিতে প্রদক্ষেপ নেয়া উচিত বলে পুলিশের ওই সাবেক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সুত্র ও খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ছেড়ানোট ভাঙ্গানোর নামে একশ্রেণীর কালো বাজারী চক্র টাকার বান্ডিলের ভিতরে জাল নোট ঢুকিয়ে প্রতারিত করছে নিরীহ জনগোষ্টিকে। এই চক্রের সাথে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ যোগসাজশ থাকার অভিযোগ ওঠেছে। তাই এই অবৈধ ব্যবসা আজো বন্ধ হয়নি।
সুত্র মতে, রাজধানীর ঢাকায় রয়েছে এ জালিয়াত চক্রের হেড কোয়ার্টার। তারা বিভিন্ন জেলাসহ সারাদেশে নিজস্ব নেটওয়ার্কের মাধ্যমে লোক টকানোর অবৈধ টাকার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনের সাথে তাদের সখ্যতা থাকায় পুলিশ এসব অবৈধ কর্মকান্ড দেখেও না দেখারভান করে চলছে।
“সাম্প্রতিককালে স্থানীয় ‘দৈনিক উত্তরপূর্ব’ এ ব্যাপারে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ওই পত্রিকাকে পুলিশের এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা আশ্বাস দিয়েছিলেন, আমরা তদন্ত করে দেখছি। এ প্রতিবেদনের কয়েক মাস অতিবাহিত হলেও এর কোনো আইনানুগ পদক্ষেপ আজো নেয়া হয়নি।”
বৃহত্তর সিলেটের জনসাধারণের প্রশ্ন, এই অবৈধ টাকা ব্যবসার প্রতারণার হাত থেকে মুক্তি হবে কবে? তাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন সিলেটবাসী।
প্রধান উপদেষ্টাঃ ফয়েজ আহমদ দৌলত
উপদেষ্টাঃ খালেদুল ইসলাম কোহিনূর
উপদেষ্টাঃ মোঃ মিটু মিয়া
উপদেষ্টাঃ অর্জুন ঘোষ
আইন বিষয়ক উপদেষ্টাঃ এড. মোঃ রফিক আহমদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : মোহাম্মদ হানিফ
সম্পাদক ও প্রকাশক : বীথি রানী কর
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : ফয়সাল আহমদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: কামরুল হাসান
নিউজ ইনচার্জ : সুনির্মল সেন
অফিস : রংমহল টাওয়ার (৪র্থ তলা),
বন্দর বাজার, সিলেট।
মোবাইল : ০১৭১৬-৯৭০৬৯৮
E-mail: surmamail1@gmail.com
Copyright-2015
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি