জার্মানির সিংহভাগ মানুষ শরণার্থীদের প্রতি সহানুভূতিশীল

প্রকাশিত: ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৫

জার্মানির সিংহভাগ মানুষ শরণার্থীদের প্রতি সহানুভূতিশীল

Manual5 Ad Code

image_138186_0

সুরমা মেইলঃ জার্মানিতে শরণার্থী শিবিরে কাজ করছেন এমন এক প্রবাসী বাংলাদেশী বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, জার্মানির সিংহভাগ মানুষ শরণার্থীদের প্রতি সহানুভূতিশীল।

Manual2 Ad Code

গত কয় মাসে কয়েক লাখ আশ্রয়প্রার্থী জার্মানিতে পৌঁছেছে। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে ফারজানা কবির জানান, আশ্রয় শিবিরগুলোর পঞ্চাশ শতাংশের মতো সিরিয়া থেকে আসা, বাকিরা অন্যান্য দেশের। বাংলাদেশী আছে, ভারতীয় আছে, পাকিস্তানি আছে, ইরাকি আছে।

Manual7 Ad Code

জার্মানির সরকার বলছে, যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়া, ইরাক ছাড়া অন্যদের নিজ নিজ দেশে পাঠানো হবে।

Manual5 Ad Code

আশ্রয়প্রার্থীদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে ফারজানা কবির বলেন, বিশেষ করে সিরিয়া থেকে আসা লোকজনের মধ্যে একধরনের নিরাপত্তা-বোধ, স্বস্তি স্পষ্ট। তিনি বলেন, “নিজের দেশে তাদের পালিয়ে বেড়াতে হতো, সর্বক্ষণ মৃত্যুর ভয়ে থাকতে হতো…এখানে তারা খুবই খুশি, বাচ্চারা আবার খেলে বেড়াচ্ছে।”

হিমশিম খাচ্ছে মিউনিখ
জার্মানি অভিমুখে আসা শরণার্থীদের স্রোত সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে দক্ষিণের শহর মিউনিখ।

Manual6 Ad Code

শনিবারই এই শহরে এসে পৌঁছেছেন ১৩ হাজার মানুষ। মিউনিখের মেয়র বলছেন, এত শরণার্থীকে আশ্রয় দেয়ার জায়গা ফুরিয়ে আসছে। শহরের অলিম্পিক স্থাপনাগুলোতে আশ্রয় শিবির তৈরির কথা ভাবছেন তিনি।

শরণার্থী ও অভিবাসীদের জায়গা দেয়া নিয়ে জার্মানির বিভিন্ন অঞ্চলের কর্তৃপক্ষের মধ্যেই বিবাদ স্পষ্ট হচ্ছে।

শনিবার এক দিনেই যে পরিমাণ শরণার্থী এসেছে তার পরিমাণ অন্তত ১৩ হাজার, যা এক নতুন রেকর্ড।

মিউনিখের মেয়র ডিটার রাইটার অভিযোগ করেছেন, জার্মানির অন্যান্য অঞ্চল এবং শহরগুলো এই চাপ ভাগাভাগি করে নিচ্ছে না। “প্রতি রাজ্যের সরকার, আর প্রত্যেক বড় শহরের মেয়রকে এটা মানতে হবে যে – আমরা একটি জাতীয় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছি। এখন পর্যন্ত ব্যাভেরিয়া ও মিউনিখে আমরা একা হাতেই এই বোঝা বহন করছি।”

বন্ধ হচ্ছে হাঙ্গেরি সীমান্ত
এই শরণার্থীরা জার্মানিতে আসছে অস্ট্রিয়া ও হাঙ্গেরি হয়ে। হাঙ্গেরির একটি টিভি চ্যানেল জানাচ্ছে, হাঙ্গেরি থেকে শনিবারই সাড়ে ৬ হাজারের বেশি অভিবাসী অস্ট্রিয়ায় ঢুকেছে। অস্ট্রিয়ার পুলিশ বলছে, তাদের ধারণা, রোববার হয়তো প্রতি ঘণ্টায় ৫০০ করে শরণার্থী আসবে।

হাঙ্গেরির সরকার বলছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তারা সার্বিয়ার সঙ্গে তাদের সীমান্ত বন্ধ করে দেবে এবং, তাদের ভাষায়, অবৈধ শরণার্থীদের গ্রেফতার করা শুরু করবে।- বিবিসি।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code