দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

প্রকাশিত: ২:৪৯ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ৭, ২০২৬

দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

Manual4 Ad Code

মেইল ডেস্ক:
আসন্ন আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইসিএও) নিরাপত্তা অডিট সফলভাবে সম্পন্ন করতে দেশের বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার কড়া নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

 

একই সঙ্গে ভিআইপি ও সিআইপিসহ সবার জন্য একই নিরাপত্তা প্রোটোকল অনুসরণ এবং বিমানবন্দর এলাকায় ড্রোন উড্ডয়ন ঠেকাতে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম স্থাপনের উদ্যোগ নেয়ার কথাও জানানো হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দফতরে পুনর্গঠিত জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির (এনসিএএসসি) প্রথম সভায় এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।

 

সভায় সভাপতিত্ব করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম। প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত সহসভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

 

সভায় আফরোজা খানম বলেন, জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির আগের সভার সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। খুব শিগগিরই আইসিএওর নিরাপত্তা অডিট অনুষ্ঠিত হবে। এই অডিটের ফলাফলের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি জড়িত। তাই যেসব বিষয়ে আইসিএওর পর্যবেক্ষণ আসতে পারে, সেগুলোতে পূর্ণ প্রস্তুতি ও মানদণ্ড অনুসরণ নিশ্চিত করতে হবে।

 

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী বলেন, নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ভিআইপি, সিআইপি বা সাধারণ যাত্রী, সবার জন্য একই নিয়ম প্রযোজ্য। একই সঙ্গে প্রবাসী যাত্রীদের উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

 

Manual8 Ad Code

প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় অননুমোদিত ড্রোন উড্ডয়ন রোধে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

 

Manual2 Ad Code

এখন সভার সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপত্তা সরঞ্জাম ও স্ক্যানারের পর্যাপ্ত মজুত রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

 

সভায় দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কার্যকর করতে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে তথ্য বিনিময় ও সমন্বয় বাড়ানো, জাতীয় নিরাপত্তা কর্মসূচির বাস্তবায়ন, আইসিএওর নিরাপত্তা মানদণ্ড অনুসরণ, আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তি সংযোজন এবং ভবিষ্যতের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।

 

এ ছাড়া হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবেশপথের নিরাপত্তা আরও জোরদার, আন্ডার ভেহিকল স্ক্যানিং সিস্টেমের (ইউভিএসএস) কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং দেশের সব বেসামরিক বিমানবন্দরে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়।

 

Manual4 Ad Code

(সুরমামেইল/এফএ)

Manual4 Ad Code


সংবাদটি শেয়ার করুন
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code