দোকান কোঠাঁ ভাড়া নিয়ে প্রশাসনের নাকের ডগায় চলছে ভারতীয় তীর খেলা

প্রকাশিত: ১:৪২ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২২, ২০১৬

দোকান কোঠাঁ ভাড়া নিয়ে প্রশাসনের নাকের ডগায় চলছে ভারতীয় তীর খেলা

Manual3 Ad Code

reputedcounterমো.আলী হোসেন, গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি :: সিলেটের গোয়াইনঘাটের উপজেলা সদরে দোকান কোঠাঁ ভাড়া নিয়ে প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রতিদিন চলছে ভারতীয় তীর খেলা। তীর নামক লটারী চক্রে জন-জীবনবিপর্যস্থ প্রসাশন’র নেই কোন উদ্দ্যেগ।

Manual6 Ad Code

সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলাধীন সীমান্তবর্তী পর্যটন এলাকার উপজেলা সদর,জাফলং বাজার, মোহাম্মদপুর,রাধানগর,আহার কান্দি বাজার,মাতুরতল বাজার,বিছনাকান্দি বাজার,গুরকছি বাজার,হাকুর বাজার,লাফনাউট বাজার,বারহাল বাজার,মঞ্জিলতলা বাজার,পাচচৈউতি বাজার সহ অত্র উপজেলার সবকটি বাজারে দীর্ঘদিন যাবৎ একটি জোয়াড়ীচক্র ভারতীয় তীর নামীয় একটি নাম্বারের টোকান বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ প্রতিদিন টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। যার লোভে পড়ে সরকারী চাকুরিজীবি সহ উঠতি তরুন থেকে মাঝ বয়সী লোকের মেরুদন্ড ভেঙ্গে দিচ্ছে এই লটারী। জুয়াড়ী চক্রের সদস্যরা অত্র উপজেলার বাসীন্দা হওয়া সুবাদে থানা পুলিশের সাথে যোগসাজেশ রেখে তৎপরতা চালানোর কারনে তাদের বিরোদ্বে কেহ প্রতিবাদ করেও কোন প্রতিকার হয়নি। ঐ চক্রের কাছ থেকে তীরের টোকন কিনে লঠারীতে বিজয়ী হলে ১টাকায় ৭০/ টাকা, ১০০/.টাকায় ৭,০০০/ টাকা, ১০০০/.টাকায় ৭০,০০০/ টাকা পাওয়া যাবে। এ লোভের বেড়া জালে পড়ে উপজেলার প্রায় সকল বয়সী লোক তথা সহজ-সরল মানুষ প্রতিদিন মারাত্বক ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে। সপ্তাহের প্রতি রবিবার দিন সাড়া প্রতিদিনই দুবার করে এ লঠারী হয়ে থাকে।

Manual5 Ad Code

পার্শ্ববর্তী বন্দুপ্রতিম দেশ ভারতের শিলং’এ অনুষ্ঠিত হয় এ মরণ খেলা। লঠারী ড্র’র পর এখানকার বাংলাদেশী চক্ররা মোবাইল ফোনের মাধ্যেমে ভারতের শিলং থেকে উক্ত খেলার ফলাফল জেনে নিয়ে বিজয়ীদের ঐ একে সত্তর প্রাইজ প্রধান করে থাকে। কিন্তু র্দূভাগ্য হলেও সত্য যে শতকরা দুজন ক্রেতার ভাগ্যেও প্রাইজ পাওয়া সুভাগ্য হয়না। যার ফলে যুব তরুনরা নিজের পিতা-মাতার সঞ্চিত নয়তো নিজের রোজগারের টাকা পয়সা হারিয়ে নিঃশ^ হচ্ছে। কারন প্রাইজ’র অপেক্ষায় সে কাজকর্ম রোজগার থেকে বিরত থাকছে। অপর দিকে ফলাফলের পর যখন পুরূস্কৃত না হয় ,তখন দিশেহারা হয়ে কেই কেউ বিভিন্ন অপরাদ মূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়তে বাধ্যে হচ্ছে।

যার কারনে এলাকায় দেখা দিচ্ছে সামাজিক অস্থিররতা ? বৃদ্ধি পাচ্ছে নানা অপরাধ প্রবনতা ? এমতা অবস্থায় নিরিহ শান্তি কামী সাধারন মানুষেরা শঙ্কিত হয়ে ভয় ভীতির মাধ্যেমে দিনাতিপাত করছে। এ ব্যাাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট অনেক আবেদন নিবেদন করেও কোন সুফল হয়নি। দুঃখ জনক হলেও সত্য যে দির্ঘদিন যাবৎ সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী মহল এসব তীর চক্রের বে-আইনী কর্মকান্ড রেখে কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন না করাতে দিন দিন তাদের অপরাধে সক্রিয় হচ্ছে এবং তাদের নেটওয়ার্ক আরো বিস্তৃত হচ্ছে। বিগত যৌথবাহীনির অপারেশন ক্লিনহার্ট’র সময়ে র‌্যাব’র নিয়মিত অভিযানে কয়েকজন অপরাধী গ্রেফতার হয়ে কারাবরন করলেও একসময়ে সাড়া পেয়ে আবারও তাদের অপকর্মে লিপ্ত হয়ে সমাজকে ধ্বংসের দিকে দাবিত করছে । সংঘত কারনে বলতে হচ্ছে যে এ চক্রের বিরোদ্বে কোন অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনে থানা পুলিশের কোন ভুমিকা নেই বললেও চলে। কতিপয় মুখোশধারী স্বার্থনেশ্বী মহলের মিথ্যা সাফাইয়ে তাদের পক্ষে তদবীর শুরূ করে। ফলশ্রুতিতে উক্ত চক্রের দৌরাত্ব দিন দিন লাগামহীন ভাবে বেড়েই চলছে। এখন আগের তুলনায় কচুরিপোনার মত বিস্তার লাভ করছে এই তীর চক্রটি। উপজেলা সদর থেকে শুরু করে প্রত্যান্ত এলাকায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছে।

Manual8 Ad Code

সরেজমিন জানা যায়, পুলিশ বাহিনী ও প্রসাশন’কে উপজেলা সদর থেকে সপ্তাহে (২০,০০০/বিশহাজার)টাকা এবং অন্যান্য বাজার থেকে ১০/১৫ হাজার টাকা করে উৎকোচ দিয়ে থাকে জুয়াড়ী চক্ররা। অন্যতায় তাদের উপর নেমে আসে কালবৈশাখী জড়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান গোয়াইনঘাট’র সবজি বাজারের উত্তর পাশে বেশ কয়েকটি দোকান কোঠাঁ ভাড়া নিয়ে প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রতিদিন চলছে ভারতীয় তীর খেলা। তড়িৎ গতিতে এই চক্রের বিরোদ্বে কোন ব্যবস্তা না নিলে এলাকার যুব,তরুন তথা গোঠা সমাজ ধ্বংসের সম্মুখিন হবে। অপর দিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি সাধন না হয়ে দিন দিন ম্লান হবে এবং এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলার পরিবর্তে,চুরি,ডাকাতি বৃদ্বি পাবে।।

সংবাদটি শেয়ার করুন
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code