ধরা পরেনি খুনিরা : তনুর পরিবারকে ঢাকায় ডেকেছে সিআইডি

প্রকাশিত: ২:৫৯ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২১, ২০১৭

ধরা পরেনি খুনিরা : তনুর পরিবারকে ঢাকায় ডেকেছে সিআইডি

Manual4 Ad Code

বহুল আলোচিত কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যাকাণ্ডের ২০ মাস পূর্ণ হয়েছে সোমবার। কিন্তু দীর্ঘ এ সময়েও তনুর ঘাতকরা অধরাই রয়ে গেছে।

Manual8 Ad Code

এদিকে বুধবার ঢাকাস্থ সিআইডি কার্যালয়ে তনুর বাবা-মাসহ পরিবারের ৫ সদস্যকে যাওয়ার জন্য চিঠি দেয়া হয়েছে। সোমবার রাতে মুঠোফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তনুর মা আনোয়ারা বেগম।

তিনি জানান, আমাদের আর কতো জিজ্ঞাসাবাদ করবে সিআইডি। আসামিদের আইনের আওতায় না এনে বারবার আমাদের জিজ্ঞসাবাদের নামে হয়রানি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সোমবার কুমিল্লা সিআইডি অফিস থেকে একটি চিঠি দেয়া হয়েছে আমি, আমার স্বামী, দুই ছেলে ও তনুর চাচাতো বোন লাইজুকে নিয়ে ঢাকায় সিআইডি অফিসে যেতে। মেয়ে হত্যার বিচারের আশায় ওই দিন আমরা ঢাকায় যাবো।

‘আমি শুরুতে যাদের নাম বলেছি, বার বার এক কথাই বলে আসছি। যাদেরকে ধরতে বলেছি, তাদের ধরলেই সব কিছু খোলাসা হয়ে যাবে।’

Manual4 Ad Code

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘সার্জেন্ট জাহিদ আর তার স্ত্রীকে আইনের আওতায় আনলে হত্যার ঘটনা বেরিয়ে আসবে। কারণ তাদের বাসায় টিউশনি করতে যাওয়ার পরই তনুর মরদেহ জঙ্গলে পাওয়া যায়।’

Manual4 Ad Code

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সিআইডি কুমিল্লার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জালাল উদ্দীন আহমেদ জানান, তনু হত্যার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের শনাক্ত করতে সিআইডি কাজ করে যাচ্ছে। তবে চিঠির বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

এর আগে, সর্বশেষ সন্দেহভাজন হিসেবে তিনজনকে ২৫ অক্টোবর থেকে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত সিআইডির একটি দল ঢাকা সেনানিবাসে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদ করা ব্যক্তিরা তনুর মায়ের সন্দেহ করা আসামি বলেও সিআইডি জানায়। তবে তাদের নাম জানানো হয়নি।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ২০ মার্চ রাতে কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতর একটি জঙ্গল থেকে তনুর মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন তার বাবা কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহায়ক ইয়ার হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

থানা পুলিশ ও ডিবি’র পর গত বছরের ১ এপ্রিল থেকে মামলাটির তদন্ত করছেন কুমিল্লা সিআইডি। তনুর দুই দফা ময়নাতদন্তে কুমেকের ফরেনসিক বিভাগ মৃত্যুর সুস্পষ্ট কারণ উল্লেখ না করে প্রতিবেদন দেয়ায় ঘটনার রহস্য উদঘাটন নিয়ে শুরু থেকেই সংশয় দেখা দেয়। শেষ ভরসা ছিল ডিএনএ রিপোর্ট।

গত বছরের মে মাসে সিআইডি তনুর জামা-কাপড় থেকে নেওয়া নমুনার ডিএনএ পরীক্ষা করে ৩ জনের শুক্রাণু পাওয়ার কথা গণমাধ্যমকে জানিয়েছে।

Manual7 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code