পার্কভিউ হাসপাতালে আন্দোলন: বিএনপি নেতাকে দেখে ‘ভুয়া ভুয়া স্লোগান’, হামলা-মারধর

প্রকাশিত: ১১:৫২ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৩, ২০২৬

পার্কভিউ হাসপাতালে আন্দোলন: বিএনপি নেতাকে দেখে ‘ভুয়া ভুয়া স্লোগান’, হামলা-মারধর

Manual8 Ad Code

মেইল ডেস্ক:
সিলেট পার্কভিউ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির আন্দোলনে হামলা ও মারধর ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় হাসপাতালজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। পরে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী যেয়ে নিয়ন্ত্রণে আনে পরিস্থিতি।

 

শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে নগরের তালতলা এলাকায় হাসপাতাল ভবনে ঘটে এমন ঘটনা।

 

জানা যায়, শনিবার সকাল থেকে বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবি কর্মবিরতি ঘোষণা দিয়ে আন্দোলনে নামেন হাসপাতালের ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারীরা। হাসপাতালের ফটকের সামনে এহেন বিক্ষোভ ঘটনায় চিকিৎসা সেবা বিগ্নিত হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে কর্তৃপক্ষ অনুরোধে আন্দোলন থেকে সরে এসে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে দাবী দাওয়া সমাধানে।

 

এদিকে দুপুরের দিকে হাসপাতালে যান সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আন্দোলনকারী শ্রমিকদের কয়েকজন ইমদাদ হোসেন চৌধুরীকে দেখে ভুয়া ভুয়া স্লোগানসহ বিভিন্ন আপত্তিকর স্লোগান দেন। এরপর হাসপাতালে দেখা দেয় উত্তেজনা। এসময় স্লোগানদাতা সন্দেহে কয়েকজনকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালের সেমিনার হলে। এছাড়া আটক করা হয় অহেতুক উসকানীমুলক স্লোগানদাতা অভিযোগে এক কর্মচারীকে। পুলিশ তার হাতে হ্যান্ডকাপ পরানোর পর ওই কর্মচারী ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর পা ধরে বারবার ক্ষমা চান।

 

কর্মচারীদের অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তি যখন ক্ষমা চাচ্ছিলেন তখন বহিরাগত কয়েকজন মারধর করে তাকে। মারধরকারীরা বিএনপির নেতাকর্মী বলে অভিযোগ তাদের। এ ঘটনার পর উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। এসময় কর্মচারী ও বহিরাগত দুইপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি, ধাক্কাধাক্কি ও মারধরের ঘটনা ঘটে।

 

আহমদ আল জুবের নামে পার্কভিউ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা শাখার এক কর্মচারী জানান, স্লোগান দেওয়ার কারণে আমরা ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর কাছে ক্ষমা চেয়েছি। এরপর আমাদের উপর হামলা চালানো হয়। এতে আমাদের ১০ জন কর্মী আহত হয়েছেন।

 

Manual4 Ad Code

উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে প্রায় দুই ঘন্টা হাসপাতালে আটকা পড়েন ইমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ নেতারা। বিকেলে তিনি বেরিয়ে আসার সময় আবার আপত্তিকর স্লোগান দেওয়া হয়। এসময়ও দুইপক্ষে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে।

 

Manual2 Ad Code

সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, আন্দোলনরত কর্মচারীদের বহিরাগত কয়েকজন মারধর করেছে বলে শুনেছি। তবে এতে বিএনপির কেউ জড়িত নয়। আমি বিষয়টি সমাধান করে এসেছি। কর্মচারীরাও আন্দোলন স্থগিত করেছে।

 

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানার ওসি খান মো. মঈনুল জাকির বলেন, কর্মচারীরা বেতন বৃদ্ধির দাবিতে কাজ ন্ধ রেখে আন্দোলন করছিল। এসময় তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত।

 

সূত্র বলছে, আন্দোলনকারীদের দাবী মেনে নিয়ে বেতন বৃদ্ধিতে সম্মত হয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

 

Manual5 Ad Code

(সুরমামেইল/এফএ)

Manual6 Ad Code


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code