পুরুষ সেজে বান্ধবীকে বিয়ে!

প্রকাশিত: ৬:৫২ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৫, ২০১৫

পুরুষ সেজে বান্ধবীকে বিয়ে!

Manual8 Ad Code

2015_11_05_18_14_54_n6O7PKEPc1ysu356Wt2mVkilwzCfpy_original

Manual3 Ad Code

 

Manual2 Ad Code

সুরমা মেইল : গত বুধবার রাতে সাবিনা আকতার তার স্বামী ইদ্রিস আলীকে তালাক দিয়ে ১০ মাসের সংসারের ইতি টানেন। অবশেষে ভেঙে গেলো সমকামী সেই দুই বান্ধবী সাবিনা আকতার ও ইতি আকতারের (ইদ্রিস আলী) সংসার।

তালাক হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোনাতলা উপজেলার দিগদাইড় ইউনিয়নের কাজী আব্দুল কাদের।

ইতি আকতার (পরবর্তীতে ইদ্রিস আলী) সোনাতলা উপজেলার দিগদাইড় ইউনিয়নের কোয়ালীপাড়া গ্রামের সোনা মিয়ার মেয়ে। আর সাবিনা আকতার পার্শ্ববর্তী দিঘলকান্দী গ্রামের আমজাদ হোসেনের মেয়ে।

Manual5 Ad Code

স্থানীয়রা জানায়, গত বছর সৈয়দ আহম্মদ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী থাকা অবস্থায় ইতি আকতার (১৯) নারী থেকে পুরুষে রূপান্তরিত হয়েছে বলে দাবি করেন। এরপর তিনি মাথার চুল কেটে পুরুষের পোশাক পরে বেড়ানো শুরু করেন। এসময় তার নামও পাল্টে রাখা হয় ইদ্রিস আলী। এ ঘটনার পরে তার ঘনিষ্ট বান্ধবী ও একই কলেজের ছাত্রী সাবিনা আকতারকে (১৯) বিয়ের প্রস্তাব দেন। গেল বছরের ৯ ডিসেম্বর রাতে স্থানীয় মুলবাড়ি ঈদগাহ মাঠের ঈমাম ও ফাজিলপুর গ্রামের মাওলানা আবু মুসার বাড়িতে দু’পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তাদের বিয়ে পড়ানো হয়। এক লাখ টাকা দেন মোহরানায় এ বিয়ে সম্পন্ন হয়।

সাবিনার অভিযোগ, তার স্বামী ইতি আকতার (ইদ্রিস আলী) কখনই পুরুষে রূপান্তরিত হয়নি। সে আগে যা ছিল এখনও তাই আছে। প্রতারণার মাধ্যমে সে বিয়ে করেছে। সাবিনা আরো জানায়, তার স্বামী পুরুষ কিনা তা পরীক্ষা করে দেখতে ও প্রতারণার বিচার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিয়েছিলাম। কিন্তু গত এক মাসেও কোনো সুরাহা হয়নি।

সাবিনা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এক নারী হয়ে তো অন্য নারীর সঙ্গে সংসার করা যায় না। এ কারণে তাকে তালাক দিয়েছি।

Manual2 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code