বিশ্বম্ভরপুরে বন্যায় ৩০ হাজার পরিবার পানিবন্দি

প্রকাশিত: ৩:১৬ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৬, ২০১৬

বিশ্বম্ভরপুরে বন্যায় ৩০ হাজার পরিবার পানিবন্দি

Manual6 Ad Code

138257_139

সুরমা মেইল নিউজ : বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। গত শনি ও রোববার থেকে দ্বিতীয় দফা পুনরায় পানি বেড়ে নতুন করে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। পাহাড়ি ঢল ও প্রবল বর্ষণে গত বুধবার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বন্যার সৃষ্টি হয়। দু’দিন পর কিছুট পানি কমলেও রোববার থেকে পানি বেড়ে পুনরায় বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে উপজেলার পলাশ, ফতেপুর, বাদাঘাট দক্ষিণ, সলুকাবাদ ও ধনপুর ইউনিয়নের প্রায় ৩০ হাজার পরিবার নতুন করে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। উপজেলা কৃষি বিভাগ জানায়, উপজেলায় প্রায় ১শ হেক্টর রোপা আমনের বীজতলা, ১শ ২০ হেক্টর রোপা আমন, ৫০ হেক্টর শাক সবজি, ১০ হেক্টর আউস ধানক্ষেত বিনষ্ট হয়েছে।

Manual8 Ad Code

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয় সুত্রে জানা যায়, ৩০ হাজার পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। বেশ কিছু কাঁচা ঘরবাড়ি ভেঙে পড়েছে। উপজেলা প্রকৌশলী ফজলুর রহমান জানান, এলজিইডির প্রায় ১০ কিলোমিটার পাকা সড়ক পানির নিচে রয়েছে। মৎস্য কর্মকর্তা হাকিবুর রহমান জানান প্রায় ৮০টি পুকুর পানিতে ভেসে গেছে। এছাড়া প্রাথমিক,মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রায় অর্ধশত বিদালয়ে রোববার পাঠদান ও পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি।

Manual4 Ad Code

ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান রনজিত চৌধুরী রাজন,পলাশ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ূম জানান, ক্ষতির পরিমাণ অনেক, পুষিয়ে ওঠা কঠিন। ধনপুর ইউপি চেযারম্যান রফিকুল ইসলাম জানান, সবজির ক্ষেত নষ্ট হলেও পুষিয়ে নেয়া সম্ভব কিন্তু বীজতলা নতুন করে ফলানো অনেক সময়ের ব্যপার।

Manual6 Ad Code

এদিকে সম্প্রতি বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা প্রশাসন উপজেলা সম্মেলন কক্ষে জরুরি সভা করে বন্যা মোকাবেলায় আগাম ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তালুত নিশ্চিত করছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code