মদের বার চালাচ্ছেন খোদ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা, আপন ভাইকে অস্বিকার

প্রকাশিত: ২:০০ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৯

মদের বার চালাচ্ছেন খোদ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা, আপন ভাইকে অস্বিকার

Manual5 Ad Code

মদের দোকান (বার) চালানোর অভিযোগ উঠেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর কর্মকর্তা পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) হেলালউদ্দিন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে। নিজেকে আড়ালে রেখে কৌশলে এই মদের বার চালান তিনি আপন ভাই মো. আজাদ হোসেনের নামে। খবর জানাজানি হওয়ায় নিজেকে বাঁচাতে এখন সেই ভাইকেই অস্বীকার করেছেন তিনি। কর্মস্থল যশোর হলেও বেশিরভাগ সময় থাকেন রাজধানীতে। মোহাম্মদপুরে নবোদয় হাউজিংয়ে তার বাসা।

সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) হেলাল ও তার স্ত্রী মাহমুদা সিকদারের বিরুদ্ধে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জেনেছে, তাদের আছে কাড়ি কাড়ি টাকা ও অঢেল সম্পদ। কিভাবে তারা ধনকুবের হলো, সেই উৎস বের করতে দুদকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা হওয়ায় নিজেকে আড়ালে রেখে ‘লেক ভিউ রিক্রিয়েশন ক্লাব লিমিটেড’ পরিচালনা করতে আরও ৫ জনের সঙ্গে যুক্ত আছেন হেলালউদ্দিন ভূঁইয়া। রাজধানীর গুলশান এভিনিউয়ের ৩০ নম্বর রোডের ৬০সি নম্বর বাসার ৫তলা ভবনে পরিচালিত এই বার ‘টপ রেটেড’ হিসেবে পরিচিত। শুরুতে গুলশান-১ নম্বরের একটি ভবনের ১৯তলায় ছিল এটি।

Manual7 Ad Code

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কর্মকর্তা হেলালের দাবি, আজাদ নামে তার কোনো ভাই নেই। কিন্তু আজাদ জানান, হেলালউদ্দিন ভূঁইয়া তার আপন ভাই। জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী, বাবা আলী আহম্মদ ভূঁইয়া এবং মা মোসাম্মৎ সামছুন নাহার। পেশা ‘ছাত্র’। আলী আহম্মদ ভূঁইয়া ও সামছুন নাহার দম্পতির ছেলে হেলাল। আজাদের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের বড়কান্দি (মধ্যাংশ)। বাড়ির নাম ‘ভূঁইয়া বাড়ি’। একই ঠিকারা হেলালেরও। জানা গেছে, ৬ ভাইবোনের মধ্যে হেলাল চতুর্থ। আজাদ সবার ছোট।

Manual8 Ad Code

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের ইন্সপেক্টর হেলালউদ্দিন ভূঁইয়া ও তার স্ত্রী মাহমুদা সিকদার ওরফে মাহমুদা হেলালসহ নিকটাত্মীয়দের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার সম্পদ গড়ার অভিযোগ ওঠে গত বছর। একই বছরের ২৯ জুলাই দুদকে এ-সংক্রান্ত অভিযোগ জমা পড়ে।

Manual3 Ad Code

দুদকের বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত শাখা-২ জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে হেলাল ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রমাণ মিলেছে। গত ২৮ আগস্ট দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন তাদের নোটিশ পাঠিয়েছেন। ২১ কর্মদিবসের মধ্যে সম্পদের হিসাব দুদকে জমা দিতে বলা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code