মাছ বাজার তদারকিতে লোক থাকলেও ঔষুধের বেলায় কেউ নেই!

প্রকাশিত: ২:১০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২১, ২০১৭

মাছ বাজার তদারকিতে লোক থাকলেও ঔষুধের বেলায় কেউ নেই!

Manual2 Ad Code

সুনির্মল সেন :: ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সমাজের সর্বস্তরের মানুষ দর কষা-কষি ছাড়া যে পণ্যটি আজ দীর্ঘদিন যাবত ক্রয় করে আসছেন ক্রেতারা তার নাম ‘ফর্মেসীর ঔষুধ।’

ঔষুধের ক্ষেত্রে কেউই কোনো দর-দাম করেন না। গ্রাহক ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ফার্মেসীতে নিয়ে যায়, বিক্রেতা ঔষুধ দেয়, ক্রেতা কোনো বাক্যালাফ না করে মূল্য দিয়ে চলে আসে। কিন্তু এক্ষেত্রে কেউই ভাবতে পারেনা, দোকানদার এক টাকার ঔষুধ মূল্য রেখেছে পাঁচ টাকা। পরিস্থিতিটা ঔষুধের ক্ষেত্রে এমনই।

Manual6 Ad Code

বর্তমানে ঔষুধের বাজারে চলছে সর্বকালের রেকর্ড ভঙ্গ করা সা¤্রাজ্যবাদী নিয়মের আলোকে বেনিয়া ব্যবসা। এর মধ্যে জীবন রক্ষাকারী জরুরী ঔষুধের ক্ষেত্রে লুটপাটের পরিমান অকল্পনীয়। দেশী-বিদেশী প্রকার ভেদে ওইসব ঔষুধের মূল্য ৫শ’ থেকে সহ¯্রভাগ বেশী রাখা হচ্ছে।

নিত্য দিনের মাছ-তরকারীর বাজার দেখার লোক থাকলেও ঔষুধের বাজার তদারকিতে কেউ নেই। এ বিষয়টি সিলেবাসীর জন্য বিপদ বার্তা নিয়ে আসছে। পাশাপাশি দিনের পর দিন বেড়েই চলছে ডাক্তার সাহেবদের ফি। এর ফলে নি¤œবিত্ত, মধ্যবিত্তদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে চিকিৎসা ব্যবস্থা।

Manual6 Ad Code

ছোট-খাটো সাধারণ কোনো অসুখ নিয়ে ডাক্তার এবং ফার্মেসীতে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। অথবা গেলেও ঔষুধের মূল্য জিজ্ঞেস করার পর তা ক্রয় করার সামর্থ অনেকেরই থাকে না। অনেক লোকের ধার-দেনা করার সামর্থ থাকলেও নি¤œবিত্তদের রোগ চেপে রাখতে হয়। দীর্ঘদিন রোগ শরীরে পূষে রাখা ছাড়া উপায় থাকে না তাদের। ঢাকা, সিলেটসহ সারাদেশের বিভিন্ন স্থানের নি¤œবিত্ত মানুষের অভিজ্ঞতা প্রায় একই রকম।

Manual5 Ad Code

এদিকে, প্রাপ্ত তথ্য মতে বাংলাদেশ ঔষুধ প্রশাসনের কাছে ১১৭টি অত্যাবশ্যকীয় ঔষুধের একটি তালিকা রয়েছে। মানুষের জীবন রক্ষাকারী ঔষুধ নিয়ে এভাবে চলতে থাকলে কিছু দিন পর মানুষ, বিশেষ করে নি¤œ আয়ের মানুষ ঔষুধ ক্রয় করতে না পেরে ধুঁকে ধুঁকে মারা যাবে।

Manual5 Ad Code

এ ব্যাপারে জানতে সিলেটের সিভিল সার্জনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোনে ধরেন নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code