সিলেট ১৭ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৩:০৭ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৪, ২০২২
মুহাম্মদ মনজুর হোসেন খান :
ইসলাম অশ্লীল কাজ হিসেবে ব্যভিচারকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। এ অপরাধের শাস্তি সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, ‘‘ব্যভিচারিণী নারী এবং ব্যাভিচারী পুরুষ; তাদের প্রত্যেককে একশত বেত্রাঘাত কর। আল্লাহ লজ্জাস্থান হিফাজতকারীকে ক্ষমা করার ঘোষণা দিয়েছেন। আল্লাহ বলেন, “যৌনাঙ্গ হিফাজতকারী পুরুষ ও যৌনাঙ্গ হিফাজাতকারী নারী; আল্লাহর অধিক যিকিরকারী পুরুষ ও যিকিরকারী নারী তাদের জন্য আল্লাহ প্রস্তুত রেখেছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কার। তাই আল্লাহ ব্যভিচারকে শুধু নিষিদ্ধই করেননি; বরং ব্যভিচারের নিকটবর্তী হতেও নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন, “ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না। নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং মন্দ পথ।
রসূলুল্লাহ সা: বলেন, ‘সাত প্রকার লোককে আল্লাহ তায়ালা (কিয়ামতের দিন) তাঁর আরশের ছায়ায় স্থান দান করবেন। সেদিন আরশের ছায়া ছাড়া আর অন্য কোন ছায়া থাকবে না। (সেই সাত শ্রেণীর একজন হল) যে ব্যক্তিকে কোন সম্ভ্রান্ত বংশের সুন্দরী রমণী ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার আহ্বান জানায় আর ঐ ব্যক্তি শুধু আল্লাহর ভয়ে তা থেকে বিরত থাকে। সুতরাং যৌনসঙ্গমরত কোন স্থিরচিত্র ও ভিডিও দেখাও ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার গুণাহের মতো। পর্ণোগ্রাফি ছবি বা অশ্লীল সিনেমা দেখাও ব্যভিচারের সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়ায় নিষিদ্ধ। কেননা রসূলুল্লাহ সা: বলেন, চোখের যিনা দৃষ্টি দেখা, কানের যিনা শ্রবণ করা, মুখের যিনা কথা বলা, হাতের যিনা স্পর্শ করা, পায়ের যিনা পথ চলা।
চোখের মাধ্যমে ব্যক্তি নারীর সৌন্দর্য ও রূপ উপভোগ করে। পরবর্তীতে এরূপ কাজের প্রতি অন্তরে ভাবের সৃষ্টি হয়। আর এ পথ ধরেই শুরু হয় অশ্লীলতা। ড. মুজাম্মিল সিদ্দিকী বলেন, “পর্ণোগ্রাফিক সিনেমা দেখা, এরূপ গান শুনা কিংবা গাওয়া, কারও হাত-পা এরূপ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা এসব কাজই এমন অপরাধ বা ব্যভিচার-সংশ্লিষ্ট এবং ব্যভিচারের চূড়ান্ত কাজটি এসবের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়।
সুতরাং পর্ণোগ্রাফি ওয়েবসাইট ব্রাউজিং করাও নিষিদ্ধ। কেননা মুসলিমদের সর্বসময় দৃষ্টি অবনত করার আদেশ করা হয়েছে যেন সে অন্য কারো গোপন অঙ্গ দেখা থেকে বিরত থাকে।’
ব্যভিচারের আরেকটি বিকৃত রূপ হচ্ছে সমকামিতা। মানব সভ্যতার উন্নয়নে সমকামিতা এক বড় অন্তরায়। কুরআন এবং হাদীসের নানা স্থানে সমকামিতাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কুরআনের সাত জায়গায় লূত আ. এর জাতির কথা বলা হয়েছে, যাদেরকে সমকামিতার অপরাধের জন্য আল্লাহ ধ্বংস করে দেন। ‘‘সূরা আল-আরাফের ৮০-৮৪ আয়াত, সূরা হুদ এর ৭১-৮৩ আয়াত, সূরা আল-আম্বিয়া এর ৭৪ আয়াত, সূরা আল-হাজ্জ্ব এর ৪৩ আয়াত, সূরা আশ-শুয়ারা এর ১৬৫-১৭৫ আয়াত, সূরা আন-নামল এর ৫৬-৫৯ আয়াত, সূরা আনকারুত এর ২৭-৩৩ আয়াত’’ আল্লাহ বলেন, “আমি লূতকে প্রেরণ করেছি। যখন সে তার জাতিকে বলল, ‘তোমরা এমন অশ্লীল কাজ করছ, যা তোমাদের পূর্বে সারা বিশ্বের কেউ করেনি। তোমরা তো তৃপ্তির জন্য নারীদেরকে ছেড়ে পুরুষদের কাছে গমন কর, তোমরা তো সীমালঙ্ঘন করছ। “তোমরা নারীদের বাদ দিয়ে পুরুষদের সাথে যৌন কামনা পূর্ণ করছ? তোমরা তো মূর্খ সম্প্রদায়। পবিত্র কুরআনে দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করা হয়েছে, “নির্লজ্জতার কাছেও যেয়ো না। প্রকাশ্যে হোক কিংবা অপ্রকাশ্যে। ‘সমকামিতা’ যে মারাত্মক ধরনের সীমালঙ্ঘন এবং অশ্লীল কাজ তা পবিত্র কুরআনের (৭:৮০,৮১) এবং ২৬:১৬৬) নং আয়াতে স্পষ্টভাবে বলে দেয়া হয়েছে। সে সাথে এই ধরনের কুকর্মের সাথে জড়িতদের (২৯:৩০)নং আয়াতে ফ্যাসাদ সৃষ্টিকারী অর্থাৎ দুষ্কৃতিকারী এবং (২৯:৩১)নং আয়াতে জালিম হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। তাই ‘সমকামিতাকে’ ব্যভিচারের সাথে সম্পৃক্ত না করে সন্ত্রাস বা বিপর্যয় সৃষ্টিকারী কারণগুলোর সাথে বিবেচনা করার যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে।
ইসলামী চিন্তাবিদগণ রসূলুল্লাহ সা: এর হাদীস ও সীরাত থেকে সমকামিতার শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদন্ডের বিধান দিয়েছেন। রসূলুল্লাহ সা: কয়েকটি হাদীসে সমকামিতাকে অভিশাপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং দু’জনের জন্য মৃত্যুদন্ডের শাস্তি ঘোষণা দিয়েছেন। রসূলুল্লাহ সা: বলেন, ‘‘কোথাও তুমি মানুষদেরকে লূতের জাতির মত পাপ করতে দেখলে তাকে হত্যা করবে। যে এটা করে এবং যে এটাকে সাহায্য করে দুই জনকেই হত্যা করো। ইমামগণ সমকামিতার শাস্তি বর্ণনায় বিভিন্ন মত উল্লেখ করেছেন। অধিকাংশ মুসলিম দেশে সমকামিতাকে অপরাধ হিসেবে দেখা হয় এবং শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়। সৌদি আরব, ইরান, মৌরিতানিয়া, উত্তর নাইরেজিয়া, সুদান, ইয়েমেনে সমকামিতার শাস্তি হিসেবে মৃতুদন্ড দেয়া হয়। আফগানিস্তানে সমকামিতার শাস্তি জেল ও অর্থদন্ডে নামিয়ে আনা হয়েছে। ইউনাইটেড আরব আমিরাত ও বাংলাদেশে সমকামিতার বিরুদ্ধে আইন স্পষ্ট নয়। অনেক মুসলিম দেশ যেমন বাহরাইন, কাতার, আলজেরিয়া, উজবেকিস্তান ও মালদ্বীপে সমকামিতার শাস্তি হিসেবে জেল, অর্থদন্ড ও শারীরিক শাস্তি দেয়া হয়। মিশরে সমকামিতার বিরুদ্ধে কোন আইন নেই। কিন্তু সমকামিতা সেখানে বৈধ নয়। এরজন্য শাস্তি হিসেবে জেল জরিমানা রাখা হয়েছে।
পর্ণোগ্রাফি আয়ের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বছরে প্রায় ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করা হয় পর্ণোগ্রাফি বিজনেস মাধ্যমে। এক শ্রেণীর বুদ্ধিজীবী একে মানবাধিকার বলে আখ্যা দেয়া শুরু করেছে। এদের কাছে অশ্লীলতা বলতে কিছু নেই। অন্যদিকে বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন এলাকায় পর্দা উচ্ছেদ করা হচ্ছে।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে পর্ণোগ্রাফি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ও নিয়ন্ত্রিত। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান — চাইলেই ফিল্টারিংয়ের মাধ্যমে ইন্টারনেট পর্ণোগ্রাফি রোধ করতে পারে। সব সাইবার ক্যাফেতে নজরদারি বৃদ্ধি এবং তাদের মাধ্যমে পর্ণোগ্রাফি প্রচার ও প্রসার বন্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করা উচিত।
শুধু আইনই যথেষ্ট নয়; বরং আইনের যথাযথ প্রয়োগও জরুরী। আইনের প্রয়োগ করতে পারলেই কেবল পর্ণোগ্রাফি ও এ সংক্রান্ত সকল অনাচার দূর করা সম্ভব হবে।
পর্ণোওয়েবসাইটগুলোর মাধ্যমে একাধিক সংঘবদ্ধ চক্র নানা ধরনের সাইবার ক্রাইম করছে। পর্ণোগ্রাফি রোধে সুনির্দিষ্ট আইনের অবর্তমানে পর্ণোগ্রাফির ওয়েবসাইটগুলো বন্ধ বা দমন করা যায়নি এবং এর জন্যে শাস্তিও দেয়া যায়নি। উক্ত আইনের মাধ্যমে পর্ণোগ্রাফির ওয়েবসাইগুলো বন্ধ করার ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
বর্তমানে পর্ণোগ্রাফির মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মস্থলে যৌন হয়রানি করা হয়। এক্ষেত্রে যৌন হয়রানীমুক্ত শিক্ষা ও কর্মপরিবেশ তৈরীতে মহামান্য হাইকোর্ট প্রদত্ত নীতিমালা প্রয়োগ অত্যাবশ্যক। সরাকারী-বেরসকারী সকল কর্মক্ষেত্রে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জেন্ডার বৈষম্য, যৌন হয়রানী এবং নির্যাতন দমন এবং নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টিতে নিয়োগদাতা বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সচেতন হতে হবে।
নিজ ইচ্ছায় ঐ দৃশ্যে যারা অবৈধ পারফর্ম করে তাদের কোন শাস্তির আওতায় আনা হয়নি। আইনে উল্লেখিত বিভিন্ন শাস্তির আওতায় তাদেরকেও অন্তর্ভূক্ত করা প্রয়োজন।
বাংলাদেশে পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন নতুন। ফলে এ আইনের অপপ্রয়োগের আশংকাও থেকে যায়। অবশ্য এ আইনে কেউ মিথ্যা তথ্য দিয়ে মামলা দিলেও তা প্রমাণ হলে তার শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। আইনের সুযোগ নিয়ে কোনভাবেই তা যেন কারো উপর অপপ্রয়োগ না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা অপরিহার্য্য।
কেউ কেউ বিশেষ সুবিধার লোভে পড়ে নিজের অজান্তে এ ভুল পথে পরিচালিত হয়। ফলে পর্ণোগ্রাফিতে যৌনকর্মে তাদের এমন সম্মতি ফুটে উঠে বাস্তবে যা সঠিক নয়। এক্ষেত্রেও এ কাজকে ধর্ষণ হিসেবে আমলে নিয়ে শাস্তি প্রয়োগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
সিনেমা, টিভি বিজ্ঞাপন ও নাটক অশ্লীলতামুক্ত করতে হবে। অশ্লীল সংলাপ, অশ্লীল গান, প্রেমের আবেদন, পরকীয়া ইত্যাদির উপাদান খুঁজে বের করা প্রয়োজন। চরিত্র বিধ্বংসী সর্বপ্রকার বস্তই নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন। ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিনোদন কেন্দ্র, নাটক, সিনেমা, টিভি বিজ্ঞাপনসহ সকল অঙ্গণকে অশ্লীলতামুক্ত রাখতে আইনে উল্লেখিত নৈতিক মূল্যবোধের সুরক্ষা দিতে হবে।
বাংলাদেশে ভাসমান কিছু নারী ও শিশু অবৈধ যৌন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী এদেরকে ব্যবহার করে অবৈধ পর্ণো ছবি উৎপাদন করে। ফলে এদের পুনর্বাসন সেবা, বিশেষ শিক্ষা, চাকরির প্রশিক্ষণ ও অংশগ্রহণের সুয়োগসহ প্রয়োজনীয় সহায়তাদান প্রসঙ্গে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও পদক্ষেপ নেয়া অত্যাবশ্যক।
সমাজের সভ্যসাচি মানুষদের বিনোদন প্রয়োজন মিটাতে দেশে চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশ লাভ করেছে। আর এ সুযোগে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যক্তিবর্গ অশ্লীল ছবি নির্মাণ করে সুস্থ ধারার চলচ্চিত্রের সর্বজন গ্রহণযোগ্যাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলছে। এ ক্ষেত্রে শর্ত ও নিয়মভঙ্গের উপযুক্ত প্রমাণের ভিত্তিতে ‘দি সেন্সরশিপ অব ফিল্ম এক্ট’ এ উল্লেখিত আইনের ধারা অনুযায়ী ‘অনুমোদিত ছবির প্রত্যায়ন বাতিলকরণ’ সিদ্ধান্ত কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।
বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। এখানকার অধিবাসী জনগোষ্ঠীর নৈতিকতা দেশের আইনসমূহকেও দারুণভাবে প্রভাবিত করেছে। ‘দি কোড অব সেন্সরশীপ অব ফিল্মস ইন বাংলাদেশ, ১৯৮৫’ তে ”জবষরমরড়ঁং ঝঁংপবঢ়ঃরনরষরঃরবং” অর্থাৎ ‘ধর্মীয় সংবেদনশীলতা’ এবং ওসসড়ৎধষরঃু ড়ৎ ঙনংপবহরঃু অর্থাৎ ‘অনৈতিকতা বা অশ্লীলতা’ দু’টি শিরোনামে যথাক্রমে চারটি ও পাঁচটি ক্ষেত্র বর্ণিত হয়েছে। উল্লেখিত ক্ষেত্রসমূহে পর্ণোগ্রাফির যাবতীয় অশ্লীলতাকেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। উপমহাদেশের প্রযোজিত সিনেমা মুক্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে বিশুদ্ধিকরণে এ শর্তসমূহ মাইলফলক।
ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ পর্ণোগ্রাফি উৎপাদন, বাজারজাতকরণ ও প্রদর্শনীতে কখনোই অনুমোদন করেনি। এখানকার সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের জীবনাদর্শ ইসলাম পর্ণোগ্রাফিসহ সব ধরনের অশ্লীলতাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। ফলে এ অঞ্চলের মুসলিমরা ছিল যাবতীয় অশ্লীলতামুক্ত ও রুচিহীন ক্রিয়াকর্মের বিপরীতে উন্নত জীবন যাপনের প্রতি প্রত্যয়শীল। তাদের শিল্প, সাহিত্য, নাটক, সিনেমা সহ সর্বপ্রকার সাংস্কৃতিক উপস্থাপনা এ উন্নত তাহযীব-তামাদ্দুনের পক্ষেই স্বাক্ষর বহন করে। বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় স্যাটেলাইট, মোবাইল প্রযুক্তি, ইন্টারনেট, সাইবার ক্যাফে ইত্যাদি উদ্ভাবনের পর নৈতিকতা বিরোধী যে অশ্লীল ভিডিও ও স্থিরচিত্র ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে তা নিয়ন্ত্রণে সুস্পষ্ট আইনগত পদক্ষেপ হিসেবে সরকার নতুন আইন প্রণয়ন করে। প্রস্তাবিত আইনে পর্ণোগ্রাফি সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইন প্রণয়নের আবশ্যকতা সম্পর্কে প্রদত্ত বিবৃত্তি ও মূল আইনের শিরোনাম পরবর্তী উল্লেখিত আইন প্রণয়নের প্রেক্ষাপট বর্ণনায় আইনটির যে প্রাসঙ্গিকতা ফুটে উঠেছে তা পক্ষান্তরে অশ্লীলতা নিয়ন্ত্রণে ইসলামী নৈতিকতায় ঐতিহাসিক ও উন্নত পদক্ষেপসমূহের তাৎপর্যই বহন করছে। ইসলাম মানব জীবন পরিচালনায় একটি ভারসাম্যপূর্ণ নৈতিক চরিত্রে বিকশিত শাশ্বত আদর্শ। পর্ণোগ্রাফির মতো একটি অনৈতিক কর্ম ইসলামী মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ জাতির ভেতর কখনই সৃষ্টি হতে পারে না। বাংলাদেশে পর্ণোগ্রাফি ও সংশ্লিষ্ট অপরাধ থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা ও জীবন-নির্ধারণের সঠিক ও পূর্ণ অনুসরণ।
লেখক : কলামিস্ট ও গবেষক।
প্রধান উপদেষ্টাঃ ফয়েজ আহমদ দৌলত
উপদেষ্টাঃ খালেদুল ইসলাম কোহিনূর
উপদেষ্টাঃ মোঃ মিটু মিয়া
উপদেষ্টাঃ অর্জুন ঘোষ
আইন বিষয়ক উপদেষ্টাঃ এড. মোঃ রফিক আহমদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : মোহাম্মদ হানিফ
সম্পাদক ও প্রকাশক : বীথি রানী কর
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : ফয়সাল আহমদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: কামরুল হাসান
নিউজ ইনচার্জ : সুনির্মল সেন
অফিস : রংমহল টাওয়ার (৪র্থ তলা),
বন্দর বাজার, সিলেট।
মোবাইল : ০১৭১৬-৯৭০৬৯৮
E-mail: surmamail1@gmail.com
Copyright-2015
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি