সিলেট ২২শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৩:৫৩ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৩, ২০১৮
গত রোববার রাতে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (পিও) মো. মোতালেব হোসেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চমান সহকারী নাসির উদ্দিন ও লেকহেড স্কুলের পরিচালক খালেক হাসান মতিনকে গুলশান থেকে গ্রেপ্তার করার পর তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা-ডিবি। মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) তাদের আদালতে তোলা হবে।
গতকাল সোমবার রাতে রাজধানীর বনানী থানায় মামলা করেন ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুল ইসলাম মৃধা। মামলা নম্বর ৩৬। বনানী থানার পরিদর্শক তদন্ত বোরহান উদ্দিন এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
গত রোববার রাত সাড়ে আটটায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকাসহ নাসিরউদ্দিনকে গুলশান এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আর মোতালেবকে একই সময়ে বছিলা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মাসুদুর রহমান জানিয়েছেন, টাকাসহ গ্রেপ্তার নাসিরউদ্দিনের সঙ্গে যোগসূত্র থাকায় মোতালেবকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর ডিবি গতকাল সোমবার জানায়, জঙ্গি কার্যক্রমে পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগে বন্ধ রাজধানীর লেকহেড গ্রামার স্কুল ঘুষের বিনিময়ে চালু করে দিতে চেয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রীর পিও মো. মোতালেব হোসেন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চমান সহকারী নাসিরউদ্দিন।
এ জন্য তারা স্কুলটির মালিকের কাছ থেকে ঘুষও নিয়েছিলেন। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি।
ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের যুগ্ম কমিশনার আবদুল বাতেন বলেন, জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে লেকহেড গ্রামার স্কুলের মালিক খালেদ হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আর মোতালেব হোসেন ও নাসিরউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে খালেদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে। জঙ্গি সম্পৃক্ততায় বন্ধ হওয়া এই স্কুল চালু করে দেওয়ার নামে এই দুজন ঘুষ নিয়েছিলেন।
এই ২ জনকে আদালতে না তোলার বিষয়ে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, গতকাল তারা বেশ কিছু অভিযান নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। তবে এ দুজনকে নিয়ে অভিযান চালানো হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট করেননি তিনি।
ওই দুজনকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান গতকাল বলেন, পুলিশ ও ডিবি কাউকে ধরলে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই ধরে।
এ ঘটনা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ গতকাল সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে দুই দফায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিলে নিশ্চয়ই কোনো কারণ আছে। যেকোনো অপরাধ, বিশেষ করে ঘুষ, দুর্নীতি, অনিয়ম হলে তার ব্যবস্থা সরকার নেবে। মন্ত্রণালয়ের ওপর যতটুকু পড়বে, তা নেবে। তারা এখানে কাজ করে বলে মোটেই সহযোগিতা দেওয়া হবে না। মন্ত্রণালয় চাকরির বিধিবিধান অনুসারে যা ব্যবস্থা নেওয়ার, তা নেবে।
প্রধান উপদেষ্টাঃ ফয়েজ আহমদ দৌলত
উপদেষ্টাঃ খালেদুল ইসলাম কোহিনূর
উপদেষ্টাঃ মোঃ মিটু মিয়া
উপদেষ্টাঃ অর্জুন ঘোষ
আইন বিষয়ক উপদেষ্টাঃ এড. মোঃ রফিক আহমদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : মোহাম্মদ হানিফ
সম্পাদক ও প্রকাশক : বীথি রানী কর
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : ফয়সাল আহমদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: কামরুল হাসান
নিউজ ইনচার্জ : সুনির্মল সেন
অফিস : রংমহল টাওয়ার (৪র্থ তলা),
বন্দর বাজার, সিলেট।
মোবাইল : ০১৭১৬-৯৭০৬৯৮
E-mail: surmamail1@gmail.com
Copyright-2015
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি