সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কয়েস লোদীকে হত্যার হুমকি!

প্রকাশিত: ১০:৫৫ অপরাহ্ণ, জুন ২৩, ২০২৬

সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কয়েস লোদীকে হত্যার হুমকি!

Manual5 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদীকে ফেসবুকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনি এয়ারপোর্ট থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

 

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এয়ারপোর্ট থানায় জিডি করা হয়েছে।

Manual1 Ad Code

 

অভিযোগে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একাধিক আইডি থেকে তাকে উদ্দেশ করে হত্যার হুমকি, অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একাধিক আইডি থেকে তাঁকে উদ্দেশ করে হত্যার হুমকি, হত্যার হুমকি সম্বলিত পোস্ট, অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

Manual5 Ad Code

 

এ বিষয়ে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, ‘আমাকে ফেসবুকে একাধিক আইডি থেকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।’

 

Manual8 Ad Code

তিনি আরও বলেন, ‘আমাকে নিয়ে ইসকন মন্দির পরিদর্শনসহ বিভিন্ন মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, যার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এছাড়া জেলা প্রশাসকের বদলি বা নিয়োগ কিংবা দরগাহ কেন্দ্রিক কোনো বিষয়ে আমার ভূমিকা নেই।’

 

রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে মাজার ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে আমার বক্তব্যের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ও হুমকির সূত্রপাত হয়েছে। এছাড়া বিষয়টি আমি পুলিশ কমিশনারকে জানিয়েছেন এবং পুলিশ বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে বলে আমাকে অবহিত করা হয়েছে। পাশাপাশি আমি বিমানবন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছি।’

 

তিনি বলেন, ‘এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে তাকে টার্গেট করে তিন দিনের মধ্যে হত্যার হুমকিসহ নানা ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমি এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি এবং দোষীদের শনাক্তে পুলিশকে তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।’

 

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মো. মঞ্জুরুল আলম বলেন, ‘চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে জিডি করা হয়েছে এবং কিছু কাগজপত্রসহ বিষয়টি এয়ারপোর্ট থানায় পাঠানো হয়েছে।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘থানার ওসি বিষয়টি পর্যালোচনা করছেন এবং প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলবে। এখনো বিষয়টি পুরোপুরি পর্যালোচনা করা হয়নি, তবে প্রাথমিকভাবে নথিপত্র দেখা হচ্ছে।’

 

(সুরমামেইল/এফএ)

Manual3 Ad Code


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code