সুনামগঞ্জে একিই পরিবারের ৪জনের মৃত্যু: আসামিদের পরিচয় ৩ মাসেও পায়নি পুলিশ

প্রকাশিত: ৫:৩৫ অপরাহ্ণ, জুলাই ৩১, ২০১৬

সুনামগঞ্জে একিই পরিবারের ৪জনের মৃত্যু: আসামিদের পরিচয় ৩ মাসেও পায়নি পুলিশ

Manual6 Ad Code

images

Manual4 Ad Code

সুরমা মেইল নিউজ : সুনামগঞ্জের ধরমপাশা উপজেলার রামদিঘা গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের চারজনের মৃত্যুতে হওয়া মামলার তদন্তে অগ্রগতি নেই। ঘটনার তিন মাস পরও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। সংশ্লিষ্ট কাজের ঠিকাদার ও তাঁর কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মামলা হলেও এখনো আসামিদের পরিচয় জানতে পারেনি পুলিশ।

গত এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে উপজেলার চামরদানী ইউনিয়নের হাওর এলাকার রামদিঘা গ্রামে পল্লী বিদ্যুতের নতুন সংযোগ দেওয়া হয়। ২৬ এপ্রিল বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে বাড়ির উঠানে রঞ্জিত সরকার (৪৫) নামের এক কৃষক বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিহত হন। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে স্ত্রী, বাবাসহ আরও তিনজন প্রাণ হারান।

Manual5 Ad Code

এ ঘটনায় রঞ্জিত সরকারের ছোট ভাই রিপন সরকার ০২মে পল্লী বিদ্যুতের সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্মচারীদের আসামি করে মামলা করেন। তবে তিনি কারও নাম উল্লেখ করেননি।

Manual8 Ad Code

চামরদানী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান প্রভাকর তালুকদার দাবি করেন, বিদ্যুৎ-সংযোগ স্থাপনের কাজে সংশ্লিষ্ট লোকজন ও পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণেই চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দোষী ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান তিনি।

তবে এ ঘটনায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের কোনো গাফিলতি ছিল না বলে জানিয়েছে সমিতি। নেত্রকোনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মো. মজিবুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনার পর সমিতি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত শেষে কমিটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের কোনো গাফিলতি পাওয়া যায়নি। প্রাকৃতিক কারণেই হয়তো এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

মামলার বাদী রিপন সরকার বলেন- আমরা গরিব মানুষ। কুনু রহমে দুই বেলা খাইয়া না-খাইয়া সংসার চালাই। থানায় মামলা অইলেও পুলিশ কেউরেই অহনও এরেস্ট করতে হারছে না। আমরা কহন এইডার ন্যায়বিচার ফাইমু? মরার আগে কি এইডার বিছারডা কিছু দেইখ্যা যাইতে হারবাম?

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) লোকমান হোসেন বলেন, মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে। রামদিঘা গ্রামে বিদ্যুৎ-সংযোগের কাজে নিয়োজিত ঠিকাদার ও লোকজনের পরিচয় জানতে কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কার্যালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। যাদের নাম পাওয়া গেছে, তা নিয়ে যাচাই-বাছাই হচ্ছে।

Manual6 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code