নগরীতে অবৈধ গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সিসিক’র অভিযান

প্রকাশিত: ৪:৩২ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৭, ২০১৯

নগরীতে অবৈধ গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সিসিক’র অভিযান

Manual1 Ad Code

সিলেট নগরীর অবৈধ গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) গঠিত মোবাইল কোর্ট।

Manual3 Ad Code

রবিবার (০৭ এপ্রিল ) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে এ অভিযান শুরু হয়।

Manual2 Ad Code

নগরীর বন্দরবাজার ধোপাদিঘীরপাড়স্থ আল-ফালা টাওয়ারে কয়েকটি দোকান ও অফিসে অভিযান চালানো হয়। এসময় গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসায়ীদের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স, অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থায় ত্রুটি ও নিম্নমানের গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রয়ের অভিযোগে বেশ ক’টি দোকানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে অর্থদন্ড প্রদান করা হয়।

Manual5 Ad Code

পরে সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, চরম অব্যবস্থাপনায় নগরীতে যত্রতত্র ভাবে গড়ে উঠেছে গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করেই নির্দিধায় চলছে এ ব্যবসা। এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে নিয়ন্ত্রনে আনতে কাজ করছে সিটি কর্পোরেশন।

তিনি বলেন, একটি নিরাপদ স্থানে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসা সরিয়ে নিতে হবে। জনসাধারনের চলাচল ও আবাসিক এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলা বে আইনী।

Manual4 Ad Code

মেয়র বলেন, বিস্ফোরক আইন ১৮৮৪-এর অনুযায়ী এলপি গ্যাস রুলস ২০০৪-এর ৬৯ ধারার ২ বিধিতে লাইসেন্স ব্যতীত কোন ক্ষেত্রে এলপিজি মজুদ করা যাবে তা উল্লেখ আছে। একই বিধির ৭১নং ধারায় বলা আছে, আগুন নেভানোর জন্য স্থাপনা বা মজুদাগারে যথেষ্ট পরিমাণে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রপাতি এবং সরঞ্জাম মজুদ রাখতে হবে।

আরিফুল হক বলেন, এ আইন অমান্য করলে ওই ব্যবসায়ী ন্যূনতম দু’বছর এবং অনধিক পাঁচ বছরের জেল এবং অনধিক ৫০ হাজার টাকার অর্থদন্ডে-দন্ডিত হবেন এবং অর্থ অনাদায়ী থাকলে অতিরিক্ত আরো ছয় মাস পর্যন্ত কারাদন্ডের বিধান রয়েছে। কিন্তু ব্যবসায়ীরা এ আইন না মেনে নির্দিধায় চালিয়ে যাচ্ছেন তাদের ব্যবসা। যার কারনে সিসিক এ অভিযানে নামতে বাধ্য হয়েছে। তিনি বলেন, গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসা নিয়ন্ত্রনে না আসা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভিযানে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ছাড়াও সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিধায়ক রায় চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত সচিব নুর আজিজুর রহমান, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মঈনুল হোসেন চৌধুরী, এসএমপি পুলিশের সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইসমাইল, ফায়ার সার্ভিস সিলেটের উপ পরিচালক দিনমনি শর্মা, বিস্ফোরক অধিদপ্তরের সহকারী ইন্সপেক্টও মো. আলীম উদ্দিন, জালালাবাদ গ্যাসের প্রতিনিধি ও বিপূল সংখ্যক পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত শনিবার দুপুরে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় এ ব্যাপারে মোবাইল কোর্টের সিদ্ধান্ত হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code