‘ভ্যাকসিন হিরো’ পুরস্কার পেলেন শেখ হাসিনা

প্রকাশিত: ৬:১৮ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৯

‘ভ্যাকসিন হিরো’ পুরস্কার পেলেন শেখ হাসিনা

Manual1 Ad Code

টিকাদান কর্মসূচিতে সফলতা স্বীকৃতিস্বরূপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘ভ্যাকসিন হিরো’ পুরস্কার দিয়েছে গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনেশন এবং ইমিউনাইজেশন (জিএভিআই)।

Manual3 Ad Code

গতকাল (সোমবার) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে ‘ইমিউনাইজেশনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের স্বীকৃতি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনাকে এ পুরস্কার দেয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর হাতে পুরস্কার তুলে দেন গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনেশন এবং ইমিউনাইজেশনের (জিএভিআই) বোর্ড সভাপতি ড. এনগোজি অকোনজো ইবিলা এবং সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেথ ফ্রাংকিলন বার্ক্লে।

ড. এনগোজি অকোনজো তার বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শিতা ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার প্রশংসা করেন।

পুরস্কার গ্রহণ করে প্রধানমন্ত্রী সেটা দেশবাসীকে উৎসর্গ করেন। তিনি বলেন, ভ্যাক্সিনেশনের জন্য বাংলাদেশের কঠোর পরিশ্রম আজ বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। টিকাদান কর্মসূচি অব্যাহত রাখতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সুস্থ ও নতুন প্রজন্ম দরকার।

শেখ হাসিনা বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা নিয়ে সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা অধীনে ইমুনাইজেশনে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, ২০৩০ সালের অনেক আগেই বাংলাদেশে সকলের জন্য ভ্যাকসিন এর লক্ষ্যমাত্রা পৌঁছানো সম্ভব হবে। ইমুনাইজেশনকে স্বাস্থ্য খাতে সরকারিভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সাফল্যগাঁথা হিসেবে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এসময় তিনি সকল পর্যায়ে অন্যান্য প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবার সাথে ইমুনাইজেশনকে সমন্বিত করতে সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের বর্ণনা দেন।

Manual5 Ad Code

কক্সবাজারে মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাখাইন থেকে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে বিরাট ঝুঁকি তৈরি করেছে। ২ রুটিন ভ্যাক্সিনেশন ও ইমুনাইজেশনের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ডিপথেরিয়া, কলেরা এবং এধরনের রোগ যাতে ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেই লক্ষ্যে সফলভাবে ভ্যাক্সিনেশন পরিচালনা করা হয়।

Manual6 Ad Code

শেখ হাসিনা বলেন, জিএভিআই-এর সর্বশেষ জরুরী এবং শরণার্থী নীতিমালা অনুযায়ী ২০১৭ সালে কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের জন্য ভ্যাক্সিনেশন ক্যাম্পেইন পরিচালনা করে। প্রধানমন্ত্রী পুনরায় জোর দিয়ে বলেন, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিশ্চিতকরণে জনগণের প্রতি তাঁর সরকার সর্বদাই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

Manual3 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code