‘সাংবাদিকদের স্বার্থ রক্ষায় পেশাগত ঐক্যের কোনো বিকল্প নাই’

প্রকাশিত: ৮:১০ অপরাহ্ণ, মে ৩০, ২০২৩

‘সাংবাদিকদের স্বার্থ রক্ষায় পেশাগত ঐক্যের কোনো বিকল্প নাই’

Manual7 Ad Code

২০১৭ সালে বাংলাদেশ রিপোর্টার্স ক্লাব সাংবাদিকবৃন্দের অংগ্রহণে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল কর্তৃক আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষে প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও বিচারপতি মোহাম্মদ মমতাজ উদ্দিনের কাছ থেকে সনদ গ্রহণ করছেন মোহাম্মদ হানিফ। (ফাইল ছবি)


মোহাম্মদ হানিফ :
“বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি” সাংবাদিকদের স্বার্থ রক্ষায় সবসময় সোচ্চার। গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের  ওপর কোনো আঘাত এলে আমাদের নৈতিক দায়িত্ব হয়ে দাঁড়ায় তাদের পাশে দাঁড়ানো।সাংবাদিকদের জন্য এই বৃহত্তর কাজটি  দল-মত  বিবেচনা না করে পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করে যাচ্ছে –জাতীয় ভিত্তিক সাংবাদিক সংগঠন “বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি”

Manual8 Ad Code

 

গণমাধ্যম হচ্ছে, গণতন্ত্রের সদা জাগ্রত প্রহরী। কোথাও মানবাধিকার লঙ্ঘিত হলে, গণতন্ত্রের মর্যাদা লুন্ঠিত হলে, কিংবা গণতন্ত্রের পবিত্রতা কোন কারণে কলুষিত হলে, গণমাধ্যমের নির্ভিক কন্ঠ সেখানে সোচ্চার হয়ে ওঠে। গণমাধ্যম তাই জনগনের পবিত্র গণতান্ত্রিক অধিকার সংরক্ষণে সর্বদা দায়িত্বশীল অভিভাবক।

 

গণমাধ্যম জনগণকে সচেতন করতে সদা সচেষ্ট এবং জনগণ ও সরকারের মধ্যে গণমাধ্যম সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে।

 

গণমাধ্যম একটি সমাজ বা জাতির সামগ্রিক জীবনের প্রাত্যহিক দলিল।

 

Manual5 Ad Code

গণমাধ্যমকে অবশ্যই স্বাধীন ও নিরপেক্ষ হতে হবে। গণমাধ্যম হতে হবে জনসাধারণের স্বার্থ রক্ষার অতন্দ্র প্রহরী। জনগণের স্বার্থে গণমাধ্যম যেমন অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবে, তেমনি ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠার জন্যে করবে সংগ্রাম।

 

Manual8 Ad Code

গণমাধ্যমকে নির্ভীক ও অকপট হতে হবে। আমাদের দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আশানুরুপ নয়।

 

মৌলিক অধিকার হলো মত প্রকাশের স্বাধীনতা। বাংলাদেশের সংবিধানের ধারার ৩৯(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা নিশ্চয়তা দান করা হয়েছে এবং ৩৯ (২) সংবাদপত্র তথা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে।

 

গণমাধ্যম সমাজের দর্পণ, জাতির বিবেক, জনতার কন্ঠস্বর, রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ প্রভৃতি নানা নামে গণমাধ্যমকে অভিহিত করা হয়ে থাকে। এদিকে বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে কর্মরত সেই জাতির বিবেকের উপর চলে এসেছে বিভিন্ন ভাবে জুলুম, অন্যায়-অত্যাচার।

 

এছাড়া গণমাধ্যমকর্মীদের উপরও মিথ্যা মামলা-হামলা সহ এমনকি তাদের হত্যা করা হচ্ছে। কিন্তু খুনি ও নির্যাতনকারীরা আইনের আওতায় আসছে না, দুষ্কৃতকারীদের দৃষ্টান্ত মুলক  শাস্তি হচ্ছে না। এই বিষয়ে সারাদেশের সাংবাদিকদের ও সংগঠনগুলোর ঐক্যের প্রয়োজন রয়েছে। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও পেশাগত মর্যাদার জন্যে রাজনৈতিক দল মতের উর্দ্ধে উঠে  ও প্রতিহিংসা ত্যাগ করে  সকল সাংবাদিক সংগঠনগুলোর ঐক্যবদ্ধ হওয়া  জরুরী বলে মনে করে সাংবাদিকদের স্বার্থরক্ষাকারি এই বৃহত্তর সংগঠন  “বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি”

লেখক : কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি, সিনিয়র সহ-সভাপতি, সিলেট বিভাগীয় রিপোর্টার্স ক্লাব।

Manual5 Ad Code


সংবাদটি শেয়ার করুন
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code