সীমান্তে হত্যা ও বিদেশী আগ্রাসন বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশের মিছিল

প্রকাশিত: ৭:১১ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৪

সীমান্তে হত্যা ও বিদেশী আগ্রাসন বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশের মিছিল

Manual8 Ad Code

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি :
সীমান্তে হত্যা ও বিদেশী আগ্রাসন বন্ধের দাবীতে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রতীকী লাশের মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

হানিফ বাংলাদেশীর নেতৃত্বে প্রতীকী লাশের মিছিলটি কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে শুরু করে শনিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসন কার্যালয় হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহরের চৌরাস্তায় ঘন্টাব্যাপি এক মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে।

 

Manual3 Ad Code

এ সময় হানিফ বাংলাদেশী বলেন, বাংলাদেশের প্রতিবেশি দুইটা দেশ ভারত ও মিয়ানমার সব সময় বাংলাদেশের উপর আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে। ভারত সব সময় সীমান্তে নিরিহ মানুষকে পাখির মত গুলি করে হত্যা করছে, কিছুদিন আগে বাংলাদেশের একজন বিজিবি সদস্যকে বিএসএফ গুলি করে হত্যা করেছে, গত ৪ মাসে ভারত সীমান্তে ২১ জন বাংলাদেশী বি এস এফ এর গুলিতে নিহত হয়েছে।

 

বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার হিসেবে ২০১০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ১২শ ৭৬ জন বাংলাদেশীকে বি এস এফ হত্যা করেছে এবং আহত হয়েছে ১১৮৩ জন। আরেক প্রতিবেশি দেশ মিয়ানমার তাদের ১২ লাখ রহিঙ্গাকে অত্যাচার করে বাংলাদেশে পাঠিয়েছে। গত ৫ফেব্রুয়ারী মিয়ানমারের আভ্যন্তরিন যুদ্ধে বাংলাদেশে নিক্ষিপ্ত মর্টারসেলের আঘাতে দুজন বাংলাদেশী নাগরিক নিহত হয়েছে। সীমান্ত আগ্রসনের বিরুদ্ধে ২০২০ সালেও আমরা প্রতিকী লাশ কাঁধে নিয়ে ঢাকা থেকে কুড়িগ্রাম ফেলানীদের বাড়ী পর্যন্ত পদযাত্রা করেছি।

 

Manual6 Ad Code

৩০ লক্ষ শহিদের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন দেশের মানুষ কখনও কোন দেশের আগ্রাসন, দাদাগিরি মেনে নেয়নি নেবেওনা। বাংলাদেশের মানুষ আত্মমর্যাদা নিয়ে বিশ্বের দরবারে মাথা উচ্ছু করে বাঁচতে চায়।

 

হানিফ বাংলাদেশীর নেতৃত্বে লাশের মিছিলের এ কর্মসূচিতে আছেন এন ইউ আহম্মেদ, সৌরভ বেলালসহ অন্যান্যরা।

Manual4 Ad Code

 

উল্লেখ্য, কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে শুরু হওয়া প্রতীকি এই লাশের মিছিলটি বাংলাদেশের যে জেলা গুলি ভারত ও মিয়ানমার সীমান্ত ঘেঁষা, সে জেলাগুলি সফর করে যশোরের বেনাপলে গিয়ে শেষ হবে।

Manual7 Ad Code

 

(সুরমামেইল/এমআই)


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code