ক্ষতিগ্রস্থ টেংরাটিলায় আবারও গ্যাস অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত

প্রকাশিত: ৮:৩৬ অপরাহ্ণ, মে ৯, ২০২৬

ক্ষতিগ্রস্থ টেংরাটিলায় আবারও গ্যাস অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত

Manual4 Ad Code

মেইল ডেস্ক:
গ্যাস কূপ খনন করতে গিয়ে দুই দফা ব্লোআউট বা বিস্ফোরণের শিকার সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক গ্যাসক্ষেত্রের টেংরাটিলায় দুই দশক পর আবারও গ্যাস অনুসন্ধান করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

বিবিসি বাংলা জানিয়েছে, বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়াত্ব তেল গ্যাস অনুসন্ধান কোম্পানি বাপেক্স এই অনুসন্ধান করবে বলে নিশ্চিত করেছে পেট্রোবাংলা। ২০১৬ থেকে ক্ষতিপূরণের দাবি নিয়ে নাইকোর সঙ্গে বাপেক্সের দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা নিস্পত্তি হওয়ার পর টেংরাটিলায় নতুন করে গ্যাস অনুসন্ধানের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

Manual7 Ad Code

বাংলাদেশের তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ কর্পোরেশন পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. এরফানুল হক জানিয়েছেন, টেংরাটিলায় প্রাথমিকভাবে দুটি কূপ খননের পরিকল্পনা হয়েছে এবং বাপেক্স ডিপিপি প্রকল্প প্রস্তাব তৈরির কাজ শুরু করেছে।

 

Manual3 Ad Code

২০০৫ সালে দুর্ঘটনার পর নানা জটিলতায় গত ২১ বছরে ছাতক ও টেংরাটিলায় গ্যাসক্ষেত্রে কোনো অনুসন্ধান বা উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়নি। টেংরাটিলার কূপ খননের প্রকল্প প্রস্তাব সরকারের চূড়ান্ত অনুমোদন নিয়ে আগামী বছরই নতুন কূপ খনন শুরু করতে চায় বাপেক্স।

 

টেংরাটিলা দুর্ঘটনার জন্য নাইকো রিসোর্সেসকে দায়ী করে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে আন্তর্জাতিক সালিসি আদালত ইকসিড ৪২ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৫১৬ কোটি টাকা বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দেয়।

 

Manual2 Ad Code

কানাডার তেল গ্যাস কোম্পানি নাইকো রিসোর্সেস টেংরাটিলায় গ্যাস কূপ খনন করতে গেলে ২০০৫ সালের জানুয়ারি এবং জুন মাসে দুই দফা বিস্ফোরণ ঘটে। ক্ষয়ক্ষতির হিসেবে টেংরাটিলার ব্লো আউটের কারণে আনুমানিক ৮ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পুড়ে নষ্ট হয়েছে। নীতিনির্ধারক এবং ভূতত্ত্ববিদরা মনে করেন, টেংরাটিলায় দশটি স্তরে গ্যাস প্রাপ্তির সম্ভাবনা ছিল। পুড়ে ক্ষতির পর এখনো কয়েকটি স্তরে গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

ভূতত্ত্ববিদ ড. বদরুল ইমাম মনে করেন, এই ভূগঠনে গ্যাসের মজুত আছে এবং কূপ খনন করে সেখানে গ্যাস অনুসন্ধান করা দরকার।

Manual6 Ad Code

 

(সুরমামেইল/এফএ)


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code