পিতা-মাতার ত্যাগ ও অবদানের কারণেই সন্তানরা সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়: সিসিক প্রশাসক

প্রকাশিত: ১০:৫৮ অপরাহ্ণ, জুন ২১, ২০২৬

পিতা-মাতার ত্যাগ ও অবদানের কারণেই সন্তানরা সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়: সিসিক প্রশাসক

Manual4 Ad Code

সিলেট:
সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান যান্ত্রিক যুগে আমরা অনেকেই মা-বাবার অবদানের কথা ভুলে যাই। কিন্তু এনজেএল ফাউন্ডেশনের এই আয়োজন আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, পরিবারের মূল ভিত্তিই হলেন মা-বাবা। নতুন প্রজন্মের উচিত ক্যারিয়ার গড়ার পাশাপাশি মা-বাবার প্রতি দায়িত্বশীল হওয়া উচিত।

 

তিনি বলেন,সমাজ থেকে বৃদ্ধাশ্রম কালচার দূর করতে এমন উদ্যোগ প্রতিটি জায়গায় হওয়া প্রয়োজন।

 

Manual3 Ad Code

তিনি আরও বলেন, পিতা-মাতার ত্যাগ ও অবদানের কারণেই আমরা সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে পারি। তাঁদের সম্মান জানানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এনজেএল হাসপাতাল ও ফাউন্ডেশন মা-বাবাদের সম্মানিত করার যে ধারাবাহিক উদ্যোগ নিয়েছে, তা সত্যি প্রশংসনীয় যা সমাজকে এক ইতিবাচক বার্তা দেয়। তিনি চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই এনজেএল ফাউন্ডেশন এই মা-বাবা সম্মাননার এই পুণ্যময় আয়োজন আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

Manual1 Ad Code

রোববার (২১ জুন) বিকালে নগরীর দরগা গেইটস্থ কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের শহীদ সোলেমান হলে এনজেএল হাসপাতাল ও ফাউন্ডেশন সিলেট এর উদ্যোগে ষষ্ঠ এনজেএল গর্বিত মা-বাবা সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

 

‘সম্মান করি তাঁদের, যাঁদের কারণে আমরা আজকের আমি’ এই মহতী প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

এনজেএল হাসপাতাল ও ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান দেশ বরেণ্য ইএনটি চিকিৎসক ডা. নূরুল হুদা নাঈম এর সভাপতিত্বে ও এলোহা অটিজম ডেভলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের পরামর্শক রিফাত আরা রিফার পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর অছুল আহমদ চৌধুরী, সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস উন-নূর, মদনমোহন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক এম. আতাউর রহমান পীর, সিলেট কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক গল্পকার সেলিম আউয়াল।

 

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এনজেএল ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব এডভোকেট এডভোকেট রেজাউল করিম তালুকদার,শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন এনজেএল গর্বিত মা-বাবা সম্মাননা অনুষ্ঠানের সদস্য সচিব, সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির যুগ্ম সম্পাদক-১ -এডিশনাল পিপি এডভোকেট আব্দুল মুকিত অপি।

 

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শাবিপ্রবির শিক্ষক জোবেদা কনক খান, এনেস্থিসিয়া বিশেষজ্ঞ ডা.হোসেন আহমদ রুবেল, সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট মাসুক আহমদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ফয়জুর রহমান।

 

এবার যে ৬ পরিবারের পিতা-মাতাকে সম্মাননা দেয়া হলো তারা হলেন, দেবল সরকারের পিতা: রসরাজ সরকার, মাতা: মালতী রানী সরকার, ডা. এম এম আওয়াল চৌধুরী পিতা মরহুম মো: আব্দুল মুছাত্তয়ীর চৌধুরী, মাতা: রহিমা বেগম, ডা. সাইয়েদা তাসনিম চৌধুরীর পিতা: সৈয়দ মতিউর রহমান, মাতা: মোছা: মাজেদা বেগম, শেখ মোহাম্মদ সুজাদুল হকের পিতা: মরহুম শেখ মো: আতীব আলী, মাতা: মাজেদা আক্তার, ঝুমা রানী পাল শিমু এর পিতা: মরহুম মিন্টু পাল, মাতা: সন্ধ্যা রানী পাল, ডা. আব্দুল হাফিজ শাফির পিতা: মো: আব্দুর রকিব জাহাঙ্গীর, মাতা মনোয়ারা বেগম।

 

অনুষ্ঠানে মা-বাবাদের হাতে বিশেষ সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত সন্তানদের পক্ষ থেকেও মা-বাবার প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা নিবেদন করায় অনুষ্ঠানস্থলে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সম্মাননা প্রাপ্তদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন সৈয়দ মতিউর রহমান ও সন্ধ্যা রানী পাল।

 

Manual8 Ad Code

(সুরমামেইল/সংবাদবিজ্ঞপ্তি)

Manual8 Ad Code


সংবাদটি শেয়ার করুন
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code