শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে মিলল সাড়ে ১৭ লাখ টাকা, আছে স্বর্ণ-বিদেশি মুদ্রা

প্রকাশিত: ৮:০৫ অপরাহ্ণ, জুন ২২, ২০২৬

শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে মিলল সাড়ে ১৭ লাখ টাকা, আছে স্বর্ণ-বিদেশি মুদ্রা

Manual8 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক:
মাত্র চার দিনের মাথায় সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স খুলে গণনা শেষে নগদ টাকার পাশাপাশি স্বর্ণালঙ্কার ও বিদেশি মুদ্রাও পাওয়া গেছে।

 

“মাজারের দানবাক্স থেকে মোট ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৫৯ টাকা, প্রায় ৭ আনা স্বর্ণ এবং বিভিন্ন দেশের মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে।”

Manual2 Ad Code

 

সোমবার (২২ জুন) মাজার প্রাঙ্গণে প্রশাসনের উপস্থিতিতে দানবাক্সের টাকা গণনা করা হয়। গণনা শেষে জেলা প্রশাসন নিশ্চিত করেছে।


।আরও পড়ুন


গণনায় দেখা যায়, দানবাক্সে জমা হওয়া নগদ টাকার পরিমাণ ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৫৯ টাকা। এছাড়া পাওয়া গেছে প্রায় ৭ আনা স্বর্ণ, দুটি সৌদি রিয়াল, ডলার ও পাউন্ডসহ বিভিন্ন বিদেশি মুদ্রা।

 

Manual2 Ad Code

মাজারে দেশ-বিদেশ থেকে আগত ভক্ত ও দর্শনার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে দানবাক্সে নগদ অর্থের পাশাপাশি স্বর্ণালঙ্কার ও বিদেশি মুদ্রা দান করে আসছেন। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

 

সম্প্রতি মাজারের দান ও আয়-ব্যয়ের ব্যবস্থাপনা নিয়ে সিলেটজুড়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে সিলেট জেলা প্রশাসন গত বৃহস্পতিবার শাহজালালের (র.) মাজারে নতুন কয়েকটি দানবাক্স স্থাপন করে। সেই সঙ্গে মাজারে থাকা দানের ঐতিহাসিক তিনটি ‘ডেগ’ সিলগালা করা এবং নিরাপত্তার জন্য আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়, যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মাজার ভক্তরা।

 

Manual6 Ad Code

পর দিন সিলেটের হযরত শাহপরাণ (রহ.) মাজার পরিদর্শন করে মাজারটির আয়-ব্যয়ে স্বচ্ছতা, পরিকল্পিত উন্নয়ন ও মাদকের আসর বন্ধে বিভিন্ন নির্দেশনা দেন ডিসি সারওয়ার আলম।

 

এদিকে রোববার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে সারওয়ার আলমকে সিলেটের জেলা প্রশাসকের পদ থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপ-সচিব হিসেবে ন্যস্ত করা হয়। প্রজ্ঞাপনে তার প্রত্যাহারের কারণ উল্লেখ করা হয়নি। এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে সিলেটে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

Manual5 Ad Code

 

সোমবার সকাল থেকে জেলা প্রশাসকের প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে বিভিন্ন ব্যানারে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন কয়েকটি সংগঠন। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও আশপাশের এলাকায় চলা এসব কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা দাবি করেন, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারণেই তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

বিক্ষোভকারীরা বলেন, সিলেটের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে সারওয়ার আলম সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। তাকে সরানোর পেছনে একটি প্রভাবশালী মহলের ভূমিকা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।

 

সকালে কার্যালয়ে প্রবেশের সময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে করমর্দন করেন সারওয়ার আলম। পরে তাদের স্লোগানের মধ্যেই তিনি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রবেশ করেন।

 

(সুরমামেইল/এমকে)


সংবাদটি শেয়ার করুন
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code