সিলেট ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১:১৩ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২০, ২০২৬
মেইল ডেস্ক:
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কার্গোর অভাবে অবশেষে মজুত ফুরিয়ে গেছে এক্সিলারেট এনার্জির। ফলে নতুন করে কার্গো আসার আগপর্যন্ত আপাতত সামিটের টার্মিনাল থেকে পাওয়া এলএনজি দিয়েই চলতে হচ্ছে।
এদিকে এলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণে দেশের সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ আরও এক দফায় কমেছে।
বুধবার পেট্রোবাংলার প্রতিবেদনে দেখা যায়, দুপুর ১২টার দিকে দুই এলএনজি টার্মিনাল থেকে মোট ৬৬১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হচ্ছিল। দেশীয় কূপের ১ হাজার ৬২৮ মিলিয়ন মিলে মোট ২ হাজার ২৮৯ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় সঞ্চালন লাইনে যাচ্ছিল। তবে সন্ধ্যা ৬টার বুলেটিনে দেখা যায়, এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাসের সরবরাহ ৫৬২ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে এসেছে। সব মিলিয়ে তখন জাতীয় সঞ্চালন লাইনে ২ হাজার ১৮৯ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রবাহিত হচ্ছিল।
রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিসিএল) একজন কর্মকর্তা জানান, বুধবার বেলা ২টা ৪০ মিনিটের দিকে এক্সিলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনাল পুরোপুরি গ্যাসশূন্য হয়ে গেছে। তবে সামিটের টার্মিনাল পুরোপুরি সচল রয়েছে। সেখান থেকে ৫৬০ মিলিয়ন ঘনফুটের মতো গ্যাস জাতীয় সঞ্চালন লাইনে সরবরাহ হচ্ছে।
কীভাবে এমনটি হলো- জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘এক্সিলারেট বলেছিল, তাদের একটি বয়লার সচল করার জন্য ৭২ ঘণ্টার একটা বিরতি দিতে হবে। এখন সেই বয়লার এমনিতেই ঠিক হয়ে গেছে বলে তারা জানাচ্ছে। তথ্যের বিভ্রাটও কার্গো-সংকটের একটা কারণ।
এদিকে মঙ্গলবার রাতে ক্রয় কমিটির জরুরি বৈঠকে সিঙ্গাপুর থেকে দুই কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব পাস হয়েছে। সেখান থেকে ২৩ আগস্ট একটি এলএনজি কার্গো আসার কথা রয়েছে।
এছাড়া বুধবার ক্রয় কমিটির নিয়মিত বৈঠকে সিঙ্গাপুর থেকে প্রতি ইউনিট ২৩ দশমিক ৯৩ ডলারে এক কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এটি সাম্প্রতিক সময়ে সর্বোচ্চ মূল্য।
(সুরমামেইল/এফএ)
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি