সিলেট ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৮:৩৫ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৩, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিলেট ও আশপাশের এলাকাকে পরিকল্পিত, সমন্বিত, টেকসই এবং আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক)।
আগামী ২৫ আগস্ট (মঙ্গলবার) আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক)। এদিন দুপুরে সিউকের প্রধান কার্যালয়ের উদ্বোধন হবে।
এ উপলক্ষ্যে রোববার (২৩ আগস্ট) সিউকের অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কায়েস লোদী।
তিনি বলেন, সিউকের আওতাধীন এলাকা নির্ধারণের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। এতে সিলেট সদর, দক্ষিণ সুরমা, গোলাপগঞ্জ ও বিশ্বনাথ উপজেলার ৪১টি ইউনিয়ন ও সিটি করপোরেশন এলাকা অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। প্রস্তাবিত এলাকার আয়তন প্রায় ১ হাজার ১৬৮ বর্গকিলোমিটার।
কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনায় রয়েছে ভূমির সঠিক ও যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করা, ভবন নির্মাণ ও অনুমোদন প্রক্রিয়া পরিচালনা, নতুন আবাসন প্রকল্প গ্রহণ এবং নিম্নআয়ের ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আবাসন সংকট নিরসনে উদ্যোগ নেওয়া। পাশাপাশি নাগরিক সুবিধা সৃষ্টি ও সংরক্ষণ, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং পর্যটনকেন্দ্রিক অবকাঠামো গড়ে তোলার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। এছাড়া শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো, উড়ালসেতু নির্মাণ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং নালা, খাল ও নদী উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে প্রকল্প গ্রহণের সুযোগ থাকবে বলে জানিয়েছে সিউক।
প্রাথমিক পর্যায়ে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের স্থায়ী কার্যালয় স্থাপন, দুটি জোনাল অফিসের জন্য উপযুক্ত স্থান নির্ধারণ, আবাসন প্রকল্পগুলোতে সবুজায়ন, গ্রিন বিল্ডিং সার্টিফিকেশন এবং স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য আবাসন ব্যবস্থা তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক ও বাদাঘাট এলাকায় আবাসিক উন্নয়ন, গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়ক নির্মাণ, বাইপাস সড়ক ও ফ্লাইওভার তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে কর্তৃপক্ষের।
সিউকের চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা রেজাউল হাসান কায়েস লোদী আগামী ২৫ আগস্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি জানান, উদ্বোধনের পর সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, পেশাজীবী সংগঠন এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ধারাবাহিক মতবিনিময় করা হবে। পাশাপাশি নগর উন্নয়ন নিয়ে সেমিনার ও সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
(সুরমামেইল/এফএ)
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি