বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

প্রকাশিত: ১০:০৮ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৪, ২০২৬

বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

Manual1 Ad Code

কানাইঘাট প্রতিনিধি:
‘সুস্থ শিশু, সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ মাতৃদুগ্ধের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন হই, মা ও শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করি’ এই প্রতিপাদ্যের আলোকে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সচেতনতা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে সারাদেশের ন্যায় সিলেটের কানাইঘাটে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে সপ্তাহটি উদযাপন শেষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।

 

ডা. আহমেদ জুবায়ের (এম ও ডিসি) কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর তত্ত্ববাবধানে মাতৃদুগ্ধের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণ এবং মায়েদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে মা সমাবেশ, স্বাস্থ্যবিষয়ক সচেতনতামূলক আলোচনা সভা, র‌্যালি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক বিভিন্ন কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়।

 

এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কানাইঘাট রায়গড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং কানাইঘাট পাবলিক স্কুলের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে দুটি বিভাগে মোট ছয়জন শিক্ষার্থী বিজয় লাভ করে।

 

বুধবার (১৪ অক্টোবর) কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. স্বপ্নীল সৌরভ রায় তাঁর কার্যালয়ে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ডা. ইউলিসিয়ার রহমান, ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস, ডা. মাহের ইবনে শফিক ও নার্সিং ইন চার্জ শ্রাবন্তী দাস, রায়গড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম প্রমুখ।

 

এসময় ক বিভাগে (৩য়-৫ম শ্রেণী) চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ী রায়গড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী প্রথম স্থান অধিকারী মুশফিকুর রহমান চৌধুরী, দ্বিতীয় স্থান অধিকারী আকমাম হোসেন ও তৃতীয় স্থান অধিকারী ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী সাজেদা চৌধুরী এবং খ বিভাগে কানাইঘাট পাবলিক হাই স্কুলের প্রথম স্থান অধিকারী ৯ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস, দ্বিতীয় স্থান অধিকারী মোঃ সাজ্জাদুল করিম ও তৃতীয় স্থান অধিকারী মাহফুজ আহমদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথি বৃন্দ।

Manual6 Ad Code

 

Manual2 Ad Code

শিশু-কিশোরদের মধ্যে মাতৃদুগ্ধের গুরুত্ব, শিশুপুষ্টি ও স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশে এ ধরনের উদ্যোগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়ও শিশুদের সুস্বাস্থ্য ও সুষ্ঠু বিকাশে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং স্বাস্থ্য বিভাগের সম্মিলিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ উল্লেখ করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. স্বপ্নীল সৌরভ রায় বলেন, শিশুর জন্মের পর প্রথম ছয় মাস শুধু মায়ের দুধ খাওয়ানো এবং ছয় মাস পূর্ণ হলে উপযুক্ত পরিপূরক খাবারের পাশাপাশি দুই বছর বা তার বেশি সময় পর্যন্ত মায়ের দুধ চালিয়ে যাওয়া শিশুর সুস্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

 

Manual6 Ad Code

কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা, পুষ্টি উন্নয়ন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলেও জানান ইউএইচএফপিও ডা. স্বপ্নীল সৌরভ রায়।

 

Manual4 Ad Code

(সুরমামেইল/এমআর)


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code