সিলেট ১৭ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১:২৮ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৬
বিশেষ সম্পাদকীয় :: রুখে দাড়াও বাংলাদেশ গড়ে তোল একাত্তরের চেতনায় প্রতিরোধ। জঙ্গিবাদেরসকল অপকর্ম ঠেকাতে গড়ে তোল জাতিয় ঐক্য। একাত্তরে বাঙালীজাতি এক হয়ে ছিনিয়ে এনেছিলো বাংলাদেশের স্বাধিনতা। ইয়াহিয়া খাঁন, টিক্কা খাঁন, রাওফরমান আলী, নিয়াজিদের তাঁরা অপমানজনকভাবে পরাজয় বরণে বাধ্য করেছিলো। বাঙালী জাতি এখন বর্তমানে কঠিন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। একাত্তরের পরাজিত শক্তির বংশধররা বাংলার লাল-সবুজ পতাকাকে নিষ্প্রভ করতে জঙ্গিবাদ নামের মধ্যযুগীয় জংলিপনার চর্চায়রত। তাদের মদদে বিস্তৃত হচ্ছে এই ঘৃণ্য দৈতের অশুভ থাবা।
সাম্পদায়িক সম্প্রীতির দেশ হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশের আকাশ ছোঁয়া সুনামকে তাঁরা কেড়ে নিতে চাচ্ছে। এ উদ্দেশ্যকে সফল করতে তাঁরা একের পর এক জাতি-ধর্ম-নির্বিশেষে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। অতিথি পরায়ন জাতি হিসেবে বাঙালী জাতির বিশ্বজোড়া সুনামকেও জঙ্গি নামের নরকের কীটরা প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাচ্ছে।
ঢাকার গুলশানের আর্টিজান রেষ্টুরেন্টে বর্বর এবং নোংরা জঙ্গিদের হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ২০জন জিম্মি। এখানে রয়েছে অন্ততঃ ১৭জন বিদেশী। বরাবরই বাংলাদেশের মানুষের অতিথি পরায়নতার প্রশংসা করেছে বিশ্ব বিবেক।
সে প্রশংসা সহ্য করতে না পেরে আঘাত হেনেছে জঙ্গি নামের কুৎসিত দস্যূরা। বাংলাদেশে মেট্রোরেল স্থাপনে এসেছিলেন ছয় জাপানি। তাদের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে ধর্মান্ধ বিবেক বিকৃতরা।
মনে হচ্ছে, বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রতিবন্ধক হিসেবে নিজেদের খাড়া করতে চাচ্ছে বিদেশী অপশক্তির এজেন্ট মধ্যযুগীয় বর্বরেরা। রমজান মাসে ধার্মিক মানুষ যখন এশা ও তারাবীর নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদের দিকে যাচ্ছিলেন তখন রাজাকারের অনুচর, ধর্মান্ধ বর্বর জঙ্গিরা গুলশানের রেষ্টুরেন্টে গিয়েছিলো সৃষ্টিকর্তার শ্রেষ্টজীব মানুষ হত্যার জন্য।
সকল ধর্মে মানুষ হত্যা মহা পাপ। যার কোনো ক্ষমানেই। বেহেস্থেও তার কোনো ঠিকানা হবে না। জঙ্গিরা নিরপরাদ মানুষকে হত্যা করে পাপ করেছে। পবিত্র ইসলামের মর্যাদা কলুষিত করেছে, অশান্তি এবং অকল্যাণের প্রতিভুরা।
বাংলাদেশের মানুষ সবসময় অসাম্প্রদায়িকতায় বিশ্বাসী। এই অসাম্প্রদায়িক মানুষেরা যখন একাত্তরে অর্জিত রাজনৈতিক স্বাধীনতার ভিত্তিতে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা মজবুত করার লড়াইয়ে লিপ্ত, তখন বিবেক বিক্রেতা ধর্মান্ধ, মৌলবাদী, সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিদেশী এজেন্টরা ১৬ কোটি মানুষের সে প্রয়াসকে প্রতিহত করার গভীর ষড়যন্ত্রে ও চক্রান্তে লিপ্ত। তারা এখনো সে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।
বাংলাদেশকে অচিরেই মধ্য আয়ের দেশে পরিনত করতে হলে, উন্নত দেশের পর্যায়ে নিতে হলে ধর্মের নাম ব্যবহারকারী জঙ্গি নামের নোংরা, অসভ্য মধ্যযুগীয় জানোয়ারদের প্রতিহত করতেই হবে। আর তাদের প্রতিহত করতে হলে, একাত্তরের মতো আবারো মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সকল মূক্ত চিন্তার মানুষ একত্রিত হয়ে সাংষ্কৃতিক আন্দোলন জোরদার করতে হবে।
মানুষকে বুঝাতে, মানুষকে সঠিক পথে আনতে সাংষ্কৃতিক আন্দোলনের বিকল্প নেই। সর্বোপরি রুখে দাঁড়াতে হবে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের উপাসকদের বিরুদ্ধে। গড়ে তুলতে হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীদের নিয়ে জাতীয় ঐক্য। এ ঐক্যে কোনো অপশক্তি চিড়ধরাতে পারবে না। পারেনি তারা ১৯৭১ সালেও মুক্তিযুদ্ধ কালীন সময়ে।
প্রধান উপদেষ্টাঃ ফয়েজ আহমদ দৌলত
উপদেষ্টাঃ খালেদুল ইসলাম কোহিনূর
উপদেষ্টাঃ মোঃ মিটু মিয়া
উপদেষ্টাঃ অর্জুন ঘোষ
আইন বিষয়ক উপদেষ্টাঃ এড. মোঃ রফিক আহমদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : মোহাম্মদ হানিফ
সম্পাদক ও প্রকাশক : বীথি রানী কর
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : ফয়সাল আহমদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: কামরুল হাসান
নিউজ ইনচার্জ : সুনির্মল সেন
অফিস : রংমহল টাওয়ার (৪র্থ তলা),
বন্দর বাজার, সিলেট।
মোবাইল : ০১৭১৬-৯৭০৬৯৮
E-mail: surmamail1@gmail.com
Copyright-2015
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি