শিশু ইমন হত্যা : পলাতক আসামির মালামাল ক্রোক

প্রকাশিত: ৬:৩৩ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৩, ২০১৬

শিশু ইমন হত্যা : পলাতক আসামির মালামাল ক্রোক

Manual1 Ad Code

images

Manual2 Ad Code

সুরমা মেইল নিউজ :: সুনামগঞ্জের ছাতকে চাঞ্চল্যকর শিশু ইমন হত্যা মামলার পলাতক আসামী সালেহ আহমদের বাড়ির মালামাল ক্রোক করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে বৃহস্পতিবার দুপুরে ছাতক থানা পুলিশ উপজেলার বাতির কান্দি গ্রামে সালের বাড়ির মালামাল ক্রোক করে।

এর আগে গত ৩ অক্টোবর সিলেটের দ্রুতবিচার ট্রাইবুনালের বিচারক মকবুল হোসেন পলাতক আসামী সালেহ আহমদের মালামাল ক্রোকের নির্দেশ দেন। সালেহ আহমদ শিশু ইমনকে অপহরণ ও খুনের ঘটনার পরই পলাতক রয়েছে। ঘটনার পর ৭ আসামীর মধ্যে সালেহ ছাড়া ৬ জনকে আটক করে পুলিশ।

Manual2 Ad Code

আটককৃতরা হলো, জামায়াত নেতা সুয়েবুর রহমান সুজন, বাচ্চু, জায়েদ, রফিক, কাহার ও নুরুল আমিন। এদের মধ্যে বাচ্চু, কাহার ও নুরুল আমিন জামিনে রয়েছেন। অপর ৩ জন বর্তমানে কারাগারে আছে। ছাতক থানার এসআই সুহেল জানান, আদালতের নির্দেশে সালেহের বাড়ির মালামাল ক্রোক করা হয়েছে।

Manual6 Ad Code

উল্লেখ্য, ছাতক উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়নের বাতিরকান্দি গ্রামের সৌদি প্রবাসী জহুর আলীর ছেলে ও লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কারখানার কমিউনিটি বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেনীর ছাত্র ইমনকে ২০১৫ সালের ২৭ মার্চ অপহরণ করা হয়। পরে মুক্তিপনের টাকা পাওয়ার পরও অপহরণকারীরা শিশু ইমনকে হত্যা করে। ৮ এপ্রিল মোবাইল ট্যাকিংয়ের মাধ্যমে কদমতলী বাসষ্ট্যান্ড থেকে শিশু ইমনের হত্যাকারী ঘাতক ইমাম সুয়েবুর রহমান সুজনকে আটক করে পুলিশ। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পুলিশ হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি, বিষের বোতল ও রক্তমাখা কাপড় উদ্ধার করে। এমনকি বাতিরকান্দি হাওর থেকে ইমনের মাথার খুলি ও হাতের হাড় উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহত ইমনের বাবা জহুর আলী বাদী হয়ে ৭ জনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ছাতক থানায় মামলা (নং-৩২) করেন। চলতি বছরের ২১ জুলাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় চাঞ্চল্যকর এ মামলাটি দ্রুতবিচার ট্রাইবুনালে প্রেরণের জন্য গেজেট প্রকাশ করে। গত ১৯ সেপ্টেম্বর থকেই দ্রুত ট্রাইব্যুনালে মামলাটির কার্যক্রম শুরু হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code