গোয়াইনঘাট সড়কের বেহাল দশা : পর্যটন শিল্পে ব্যাঘাত

প্রকাশিত: ৪:১৬ অপরাহ্ণ, মে ৮, ২০১৭

গোয়াইনঘাট সড়কের বেহাল দশা : পর্যটন শিল্পে ব্যাঘাত

Manual5 Ad Code

গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি :: প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমি সিলেটের গোয়াইনঘাট। উপজেলা জুড়ে রয়েছে দেশের খ্যাতিমান দৃষ্টিনন্দিত পাঁচটি পর্যটনকেন্দ্র। চোখ জুড়ানো এসব সৌন্দর্য দেখে প্রতিনিয়তই মুগ্ধ হোন প্রত্যান্ত অঞ্চল থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক।

Manual3 Ad Code

কিন্তু রাস্তার উন্নয়র কাজ না থাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে দিন দিন হারিয়ে বসছে এসব সৌন্দর্য। পাশাপাশি পর্যটন শিল্পে ঘটছে ব্যাঘাত। সেই সাথে রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। সম্প্রতি সময়ে কয়েক লক্ষাধিক পর্যটকের পদচারণায় মূখর থাকতো পর্যটনকেন্দ্রগুলো। ভ্রমন পিপাসুদের ভীড় দেখে গড়ে উঠে শতাধিক হোটেল-মোটেল ও রিসোর্ট। সুতরাং এই পর্যটন শিল্পের যোগাযোগ ব্যবস্থা এতোটাই খারাপ যে দিন দিন পর্যটনকেন্দ্রগুলো থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে পর্যটক।

Manual7 Ad Code

প্রায় ৫ বছরেরও অধিক সময় থেকে বেহাল দশায় পড়ে থাকা এ সকল রাস্তাগুলো সংস্কার কাজে দায়বদ্ধতা নেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। ফলে রীতিমত বিরম্ভনায় পড়তে হচ্ছে ঘুরতে আসা এ সব ভ্রমণপিপাসুদের। এছাড়াও বিপাকে পড়তে হচ্ছে পর্যটনকেন্দ্রে গড়ে ওঠা বিভিন্ন ব্যাবসায়ীদেরও।

পর্যটকদের প্রধান আকর্ষন প্রকৃতিকন্যা জাফলং। কিন্তু মামার বাজার থেকে  পর্যটক স্পট পর্যন্ত ৭০০ মিটার রাস্তা যেতে হয় কাঁদা জল মাড়িয়ে। এই সড়ক দিয়ে যানবাহন ও মানুষের চলাফেরা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।

Manual7 Ad Code

একই অবস্থা আরেক দৃষ্টিনন্দিত পর্যটনকেন্দ্র বিছনাকান্দিতেও। হাদারপার বাজার থেকে পর্যটক স্পট পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার রাস্তা জুড়েই খানা-খন্দে ভরপুর। এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে ভোগান্তীতে পড়ছেন জনসাধারণ ও পর্যটকরা।

অপরদিকে, যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় রাতারগুল ও মায়া বন যেতে হয় নৌকাযোগে। ২০১৬ সাল ছিলো সরকার ঘোষিত পর্যটক বর্ষ। প্রায় দেড় বছর গড়িয়ে গেলেও রক্ষণাবেক্ষণ হয়নি যোগাযোগ ব্যবস্থায়। ফলে উল্টো হুমকিতে পড়েছে সম্ভাবনাময় এ পর্যটন শিল্প।

চট্রগ্রাম থেকে জাফলং ঘুরতে আসা রবিউল ইসলাম জানান, জাফলংয়ের সৌন্দর্য আসলেই আমাকে বিমোহিত করেছে। তবে সিলেট থেকে আসার পর রাস্তাঘাট দেখে খুব খারাপ লাগছিলো। রাস্তাঘাটের আরেকটু উন্নতি হলেই এই জাফলং ফিরে পেতো তার আসল সৌন্দর্য।

Manual1 Ad Code

সিলেটের সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী উৎপল সনান্ত জানান, মামার বাজার থেকে বল্লাঘাট ৭০০ মিটার ও বিছনাকান্দি স্পটের রাস্তাগুলো আমাদের আওতায় না। রাস্তাগুলো আমাদের আওতায় দেওয়ার জন্য আমরা প্রস্তাব দিয়েছি। আশাকরি আগামী বছর আমরা এগুলোর কাজ করতে পারবো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code