জামায়াতের সেই এমপির আরেক ভিডিও ভাইরাল

প্রকাশিত: ১১:১৮ অপরাহ্ণ, জুলাই ২১, ২০২৬

জামায়াতের সেই এমপির আরেক ভিডিও ভাইরাল

Manual3 Ad Code

মেইল ডেস্ক:
সাতক্ষীরা-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের নতুন আরেকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এই ভিডিওকে পরিকল্পিত সাজানো ঘটনা, চাঁদা দাবি করে ব্ল্যাকমেইলিং বলে বিবৃতি দিয়েছেন নজরুল ইসলাম।

Manual1 Ad Code

 

এরআগে সোমবার রাতে এক তরুণীর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এর মধ্যে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) নতুন ভিডিও সামনে আসে।



নতুন করে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডের ভিডিওটিতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি নজরুল ইসলাম এবং ওই তরুণীর কক্ষে প্রবেশ করে তাদের ধরেন। এ সময় তাদের একজন ওই কক্ষ থেকে জাতীয় সংসদের একটি আইডি কার্ড হাতে নিয়ে দেখাচ্ছেন, যেখানে ‘G. M. Nazrul Islam’ এবং ‘Member of Parliament’ লেখা রয়েছে। এরপর কক্ষে অবস্থানরত নজরুল ইসলাম এবং ওই তরুণীকে দেখিয়ে ভিডিও ধারণকারী ব্যক্তি বলছেন, ‘জামায়াতের লোক। দেখেন, সাতক্ষীরা জামায়াতের লোক এখানে ধরা খেয়েছে।’ পরে তরুণীর নাম জিজ্ঞাসা করা হয়। তিনি নাম না বলতে চাইলে তাকে থানায় দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। পরে তরুণী বলেন, ‘সব ডিলিট করে দেন, তাহলে সব বলছি। আমার নাম মরিয়ম। নাম বললেও যা হবে, না বললেও তাই হবে। আপনারা এটা নিয়ে ঝামেলা করবেন জানি, তাহলে এসব জিজ্ঞাসা করছেন কেন?’

 

Manual3 Ad Code

এ ঘটনার প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার দুপুরে নিজের ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এমপি নজরুল ভিডিওটির নারী তার ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ বলে নিশ্চিত করে এটিকে ব্ল্যাকমেইলিং এবং রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেন। লিখিত বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘ভিডিওতে দৃশ্যমান মরিয়ম বেগম (১৮) নামের তরুণীটি অন্য কেউ নন, তিনি আমার বৈধ দ্বিতীয় স্ত্রী। ঘটনাটি ঘটেছিল গত ১৩ জুলাই রাজধানীর মগবাজারে।’

Manual3 Ad Code

 

এমপি নজরুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার দিন রাত আনুমানিক ১০টার দিকে চালক ওবায়দুল্লাহ সরাসরি আমার কাছে পাঁচ লাখ টাকা এবং শ্বশুরের কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অফিসের সিসিটিভি ফুটেজ ব্যবহার করে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা এবং পরিবারের বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয়। দাবিকৃত চাঁদা না পেয়ে চালক ওবায়দুল্লাহ অফিসের সিসিটিভি ফুটেজ এডিট করে একটি বিভ্রান্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।’

Manual4 Ad Code

 

(সুরমামেইল/এমকে)


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code