আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেল সিলেটের ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতাল

প্রকাশিত: ১১:৫৪ অপরাহ্ণ, জুন ১৫, ২০২৬

আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেল সিলেটের ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতাল

Manual4 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ভবন নির্মাণের পর দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত থাকা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সিলেট জেলা হাসপাতাল অবশেষে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেয়েছে।

 

Manual2 Ad Code

সোমবার (১৫ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এ তথ্য জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

 

এক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আজ সিলেটে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে এবং সাধারণ মানুষ আধুনিক চিকিৎসাসেবার অধিকতর সুযোগ পাবে। সিলেটবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে এই উদ্যোগের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই। সিলেটের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক।’

 

Manual1 Ad Code

সিলেটবাসীর বহুল প্রত্যাশিত এ হাসপাতালটি নির্মাণ করা হয় নগরের ঐতিহ্যবাহী আবু সিনা ছাত্রাবাসের স্থানে। নাগরিক সমাজের আপত্তি উপেক্ষা করে তৎকালীন সরকারের সময়ে প্রায় ৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়। ২০২৩ সালে নির্মাণকাজ শেষ হলেও পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ নির্ধারণসহ বিভিন্ন জটিলতায় হাসপাতালটি চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন ভবনটি দীর্ঘদিন প্রায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল।

 

Manual8 Ad Code

২০১৯ সালের জানুয়ারিতে প্রায় ৬ দশমিক ৯৮ একর জমির ওপর হাসপাতালটির নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে নির্মাণকাজের দায়িত্ব পায় পদ্মা অ্যাসোসিয়েশন অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া নির্মাণকাজ পরে সম্পন্ন হয়।

 

১৫ তলা নকশার ভবনটির আট তলা পর্যন্ত নির্মাণ শেষ হয়েছে। হাসপাতালটিতে রয়েছে আইসিইউ, সিসিইউ, আধুনিক অপারেশন থিয়েটার, ডায়াগনস্টিক সুবিধা, বহির্বিভাগ, ওয়ার্ড এবং কেবিন। এর মধ্যে ১৯টি আইসিইউ বেড, ৯টি সিসিইউ বেড ও ৪০টি কেবিন রয়েছে।

 

হাসপাতালটি চালুর বিষয়ে গত কয়েক মাস ধরে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। গত ২০ এপ্রিল তিনি হাসপাতালটি পরিদর্শন করেন। পরে বিভিন্ন সময়ে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত হাসপাতালটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

 

এছাড়া গত ৩১ মে সিলেটের মুসলিম সাহিত্য সংসদে এক অনুষ্ঠানে তিনি ঘোষণা দেন, শিগগিরই ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হবে। একই সঙ্গে সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১ হাজার ২০০ শয্যার একটি অত্যাধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানান।

 

এর আগে গত ২ মে সিলেট সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-ও দ্রুততম সময়ের মধ্যে হাসপাতালটি চালুর আশ্বাস দিয়েছিলেন।

 

Manual5 Ad Code

(সুরমামেইল/এফএ)


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code