কলেজছাত্রীকে অপহরণ করে আটকে রেখেছে কিশোর গ্যাং লিডার!

প্রকাশিত: ৯:০৫ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৪, ২০২৬

কলেজছাত্রীকে অপহরণ করে আটকে রেখেছে কিশোর গ্যাং লিডার!

Manual3 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক, সুনামগঞ্জ:
সুনামগঞ্জের তাহিররপুরে কলেজ পড়ুয়া ছাত্রীকে অপহরণের পর চার দিন ধরে আটকে রাখায় এক কিশোর গ্যাং লিডারসহ ৭ জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

সোমবার (২৪ আগস্ট) তাহিরপুর থানায় মামলাটি দায়ের করেন অপহরণের শিকার কলেজ ছাত্রীর পিতা।

 

মামলার আসামিরা হলেন- তাহিরপুরের উত্তর বড়দল ইউনিয়নের শিমুলতলা গ্রামের জহুর ইসলামের ছেলে এলাকার চিহ্নিত বখাটে ও কিশোর গ্যাং লিডার রাকিব ইসলাম (ছদ্দনাম), তার পিতা জহুর ইসলাম সহ কিশোর গ্যাং’র অজ্ঞাত আরও ৫ সদস্য।

 

মামলা ও ভিকটিমের পারিবারীক সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাদাঘাটে স্থানীয় একটি কলেজে দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়ুয়া (হিন্দু ধর্মালম্বী) ছাত্রীকে উপজেলার শিমুলতলা গ্রামের জহুর ইসলামের বখাটে ছেলে কিশোর গ্যাং লিডার রাকিব ইসলাম (ছদ্দনাম) তার অপর কয়েকজন কিশোর গ্যাং’র সদস্যদের নিয়ে কলেজে আসা যাওয়ার পথে গেল কয়েকমাস ধরে যৌন হয়রানী ও নানাভাবে প্ররোচিত করতে থাকে।

 

ওই কলেজছাত্রী বিষয়টি তার পরিবারের বাবা-মা, স্বজনদের জানালে বখাটের পিতা ও তার পরিবারের সদস্যদের নিকট নালিস করা হয়। ক্ষিপ্ত হয়ে গত শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভোররাতে কিশোর গ্যাং’র সদস্যদের সহযোগিতায় ওই কলেজ ছাত্রীকে বাড়ির থেকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায় ওই কিশোর গ্যাং লিডার।

 

Manual6 Ad Code

এরপর মেয়েকে ফেরত চেয়ে বাবা ওই কিশোর গ্যাং লিডারের পিতা জহুর ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যদের শরনাপন্ন হলে ভিকটিমের পিতাকে লাঞ্চিত করে ভিকটিমকে গেল চার দিন অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে ধর্মান্তরিত করে বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করতে থাকে।

 

Manual1 Ad Code

অভিযোগ রয়েছে, পুরাতন কাপড় ব্যবসায়ী জহুরের ওই বখাটে ছেলের বিরুদ্ধে স্কুল-কলেজের একাধিক ছাত্রীকে অতীতে রাস্তাঘাটে উত্তপ্ত করতো। এসব বিষয়ে ভোক্তভোগীর পরিবার নালিস করে আসলে দাপুটে স্বজনদের ব্যবহার করে প্রতিটি ঘটনাই ধামাচাপা দেয়া হতো।

 

সোমবার সন্ধ্যায় অপহৃত কলেজ ছাত্রীর পিতা-মাতা জানান, মামলা দায়েরের পর থেকে কিশোর গ্যাং’র সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আমার কিশোরী মেয়ের চরিত্র হননের জন্য সাইবার ব্যূলিং, সাইবার ক্রাইমের মাধ্যমে অপহরণ ও আটকে রাখার বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চালিয়ে যায়।

 

Manual3 Ad Code

ভিকটিমের পিতা-মাতা আরো বলেন, আমরা গরীব মানুষ, আমার কিশোরী মেয়েকে সম্ভ্রমহানীর আগেই পরিবারের ফিরে পেতে ও অপগরণকারী চক্রের আইনি শাস্তির জন্যই আমরা থানা পুলিশের দ্বারস্থ্য হয়েছি।

 

সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার এবি এম জাকির হোসেন পিপিএম বলেন, ভিকটিমকে দ্রুত উদ্ধার ও অপহরণে জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা থানা পুলিশ সহ পুলিশের গোয়েন্দা টিম তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

 

Manual1 Ad Code

(সুরমামেইল/এইচএসএ)


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code