কোরবানি সম্পর্কে পবিত্র কোরআনের আয়াতসমূহ

প্রকাশিত: ১:২৪ পূর্বাহ্ণ, জুন ১৬, ২০২৪

কোরবানি সম্পর্কে পবিত্র কোরআনের আয়াতসমূহ

Manual6 Ad Code

ধর্ম ডেস্ক :
পশু কোরবানির মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর প্রিয় হয় বা কাছাকাছি হয়। কোরবানি ইসলামের বিধান, ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার। কোরবান বা আজহাকে ইসলামি বিধান হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা পবিত্র ঈদুল আজহার উৎসবকালে আল্লাহ তাআলার জন্য পশু উৎসর্গের মাধ্যমে প্রতিপালন করতে হয়।

Manual7 Ad Code

 

পবিত্র কোরআনুল কারিমের অনেক জায়গায় কোরবানি সম্পর্কে দিকনির্দেশনা ওঠে এসেছে:

 

★ প্রত্যেক জাতির জন্য আমি কোরবানির নিয়ম করে দিয়েছি; যাতে তারা আল্লাহর নাম স্মরণ করতে পারে, যেসব জন্তু তিনি রিজিক হিসেবে দিয়েছেন তার উপর (২২/৩৪-৩৫)।

Manual7 Ad Code

 

★ অতএব তোমার রবের উদ্দেশ্যেই সালাত কায়েম কর এবং কোরবানি কর (১০৮/২)।

 

Manual1 Ad Code

★ আল্লাহ কেবল মুত্তাকিদের থেকে (কোরবানি) গ্রহণ করেন (৫/২৭)।

 

★ এরপর যখন সে (ইসমাইল) তার (ইবরাহিম) সঙ্গে চলাফেরা করার বয়সে পৌঁছলো, তখন সে বললো, ‘হে প্রিয় ছেলে!, আমি স্বপ্নে দেখেছি যে, আমি তোমাকে জবেহ (কোরবানি) করছি, অতএব দেখ (এতে) তোমার কী অভিমত’; সে (ইসমাঈল) বললো, ‘হে আমার বাবা! আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে, আপনি তাই করুন। ইনশাআল্লাহ, আপনি আমাকে অবশ্যই ধৈর্যশীলদের অন্তর্ভুক্ত পাবেন (সুরা আস-সাফফাত :৩৭/১০২)।

 

★ নিশ্চয় এটা সুস্পষ্ট পরীক্ষা। আর আমি এক মহান জবেহের (কোরবানির) বিনিময়ে তাকে (ইবরাহীম) মুক্ত করলাম। আর তার জন্য আমি পরবর্তীদের মধ্যে সুখ্যাতি রেখে দিয়েছি। ইবরাহীমের প্রতি সালাম। এভাবেই আমি সৎকর্মশীলদের পুরস্কৃত করে থাকি (৩৭/১০৬-১১০)।

 

★ বল, নিশ্চয়ই আমার নামাজ, আমার কোরবানি, আমার জীবন ও আমার মৃত্যু আল্লাহর জন্য, যিনি সব সৃষ্টির রব। ‘তাঁর কোনো শরিক নেই এবং আমাকে এরই নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। আর আমি মুসলমানদের মধ্যে প্রথম (৬/১৬২-১৬৩)।

 

★ মনে রেখো! কোরবানির গোশত বা রক্ত আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না, আল্লাহর কাছে পৌঁছায় শুধু তোমাদের নিষ্ঠাপূর্ণ আল্লাহভীতি। এই লক্ষ্যেই কোরবানির পশুগুলোকে তোমাদের অধীন করে দেওয়া হয়েছে।………। নিশ্চয়ই আল্লাহ কোনো বিশ্বাসঘাতক, অকৃতজ্ঞকে পছন্দ করেন না (২২/ ৩৭-৩৮)।

 

★ আর কোরবানির উটকে আমি তোমাদের জন্য আল্লাহর অন্যতম নিদর্শন বানিয়েছি; তোমাদের জন্য তাতে রয়েছে কল্যাণ। সুতরাং সারিবদ্ধভাবে দন্ডায়মান অবস্থায় সেগুলির উপর আল্লাহর নাম উচ্চারণ কর যখন সেগুলো কাত হয়ে পড়ে যায় তখন তা থেকে খাও। যে অভাবী ব্যক্তি মানুষের কাছে হাত পাতে না এবং যে অভাবী ব্যক্তি চেয়ে বেড়ায় (হাত পাতে)- তাদেরকে খেতে দাও।………২২/৩৬)।

 

★ আর তুমি তাদের কাছে আদমের দুই ছেলের (হাবিল-কাবিল) সংবাদ যথাযথভাবে বর্ণনা কর, যখন তারা উভয়ে কোরবানি পেশ করলো। এরপর তাদের একজন থেকে (কোরবানি) গ্রহণ করা হলো আর অপরজন থেকে গ্রহণ করা হলো না। সে বললো, ‘অবশ্যই আমি তোমাকে হত্যা করবো’। অন্যজন বলল, আল্লাহ কেবল মুত্তাকিদের থেকে (কোরবানি) গ্রহণ করেন (৫/২৭)।

 

★ আর হজ ও উমরা আল্লাহর জন্য পূর্ণ কর। এরপর যদি তোমরা আটকে পড় তবে যে পশু সহজ হবে (তা জবেহ কর)। আর তোমরা তোমাদের মাথা মুন্ডন করো না, যতক্ষণ না পশু তার যথাস্থানে পৌঁছে। আর তোমাদের মধ্যে যে অসুস্থ কিংবা তার মাথায় যদি কোনো কষ্ট থাকে তবে রোজা কিংবা সদাকা অথবা পশু জবেহ এর মাধ্যমে ফিদয়া দেবে। আর যখন তোমরা নিরাপদ হবে তখন যে ব্যক্তি ওমরার পর হজ সম্পাদনপূর্বক তামাত্তু করবে, তবে যে পশু সহজ হবে, তা জবেহ করবে। কিন্তু যে তা পাবে না তাকে হজে তিন দিন এবং যখন তোমরা ফিরে যাবে, তখন সাত দিন রোজা পালন করবে। এই হল পূর্ণ দশ। এই বিধান তার জন্য, যার পরিবার মাসজিদুল হারামের অধিবাসী নয়। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং জেনে রাখো! নিশ্চয়ই আল্লাহ শাস্তিদানে কঠোর (২/১৯৬)।

Manual3 Ad Code

 

(সুরমামেইল/এফএ)


সংবাদটি শেয়ার করুন
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code